ওড়িশার মালকানগিরি জেলার এমভি-২৬ নামের একটি গ্রামে টানা দুই দিন ধরে ভয়াবহ উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। রবিবার দুপুরে স্থানীয় এক আদিবাসী গোষ্ঠী হঠাৎ গ্রামে ঢুকে একের পর এক বাড়িতে আগুন লাগায়। আদিবাসীদের অভিযোগ, কয়েকজন বাঙালি মিলে একটি আদিবাসী মহিলাকে খুন করে। সেই কারণেই তারা গ্রামে হামলা চালায়। আগুন ছড়াতে থাকলে গ্রামের অনেকেই প্রাণ বাঁচাতে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান।
জানা যাচ্ছে, ২রা ডিসেম্বর কোয়া আদিবাসী সম্প্রদায়ের মহিলা পদিয়ামির মুণ্ডহীন দেহ পোতেক নদী থেকে উদ্ধার হয়। নদীর পাশেই ছিল সুকুমার মণ্ডল নামে এক বাঙালি কৃষকের জমি। আদিবাসীদের দাবি, জমি নিয়ে লম্বা সময়ের বিরোধের জেরেই তাঁকে অপহরণ করে খুন করা হয়েছে। তবে সুকুমার এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। পুলিশ ও বিএসএফ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। সোমবার আবারও শতাধিক আদিবাসী গ্রামে ঢুকে ঢাল, কুড়াল ও তীরধনুক নিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর করে এবং সম্পত্তিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। অনেক পরিবার ভয়ে গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে।


