উত্তরপ্রদেশের আগ্রার তাজগঞ্জ এলাকায় একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি এই ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই দিন আনাস নামক এক যুবক তার পরিবারের সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে তার এক আত্মীয়র বাড়িতে যাচ্ছিলেন। আনাসের বাড়ি কামাল খান এলাকায় বলে জানা যায়।
অভিযোগ, রাস্তায় হঠাৎ তাদের সামনে এসে দাঁড়ায় সন্তোষ নামক এক ব্যক্তি। সে প্রথমে আনাসের নাম জানতে চায়। এরপর তার ধর্ম পরিচয় জানতে চায়। আনাসের মুসলিম পরিচয় জানার পর সন্তস তার হাতে থাকা একটি লাঠি দিয়ে আনাসকে মারধর শুরু করে এবং এই হামলায় আনাস গুরুতর আহত হন।
আনাসকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন তার কাকা ফারদিন। প্রথমে প্রতিবেশীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। ফারদিনের দাবি, সেই সময় বিষয়টি মিটমাট হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই আবার ফিরে আসে সন্তোষ। অভিযোগ, তখন সে মদ্যপ অবস্থায় ছিল। ফের এসে ফারদিনের উপরেও হামলা চালায় সে। এই দ্বিতীয় দফার হামলার দৃশ্য এলাকার একটি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। পরে সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
ঘটনার পর ফারদিন তাজগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ সন্তোষের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ওই সময় মদ্যপ অবস্থায় ছিল। তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে তোলা হয়েছে এবং বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।


