দেওরিয়ায় বহু বছরের পুরনো আবদুল গনি শাহ বাবা মাজার ভাঙার পর থেকেই এলাকায় ভারী হয়ে আছে একটা চাপা অস্বস্তি। প্রশাসনের বুলডোজার অভিযানে শুধু একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়, ভেঙে পড়েছে বহু মানুষের বিশ্বাস আর আবেগ। মাজার ভাঙার খবর পেয়ে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ সেখানে এসে দাঁড়িয়েছেন ধ্বংসস্তূপের সামনে—কেউ চুপচাপ, কেউ চোখের জল ধরে রাখতে না পেরে।
স্থানীয়দের কথায়, এই মাজার ছিল সবার। সন্তানলাভের আশায়, অসুখ-বিসুখে বা জীবনের কঠিন সময়ে বহু মানুষ এখানে এসে মানত করেছিলেন। প্রশাসন বলছে, বেআইনি নির্মাণ সরানোর কাজ হয়েছে। কিন্তু মানুষের প্রশ্ন—এভাবে হঠাৎ করে ভেঙে দেওয়া কি জরুরি ছিল? এত বছরের বিশ্বাসের কোনও দাম নেই?
মাজার ভাঙার ঘটনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এক মুসলিম যুবকের গ্রেপ্তার নতুন করে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করেছে। অনেকেই এখন প্রকাশ্যে কথা বলতে চাইছেন না। পাড়ার মোড়ে আলোচনা চললেও মুসলিম কণ্ঠ প্রায় অনুপস্থিত। দেওরিয়ায় এখন শুধু একটা মাজার নয়, ভেঙে পড়েছে মানুষের ভরসা আর নিরাপত্তার অনুভূতিও।


