মালদায় রাজ্য সরকারের ‘যুবসাথী’ প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করতে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন একাধিক উচ্চশিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতী। সোমবার ইংরেজবাজার এলাকায় বিভিন্ন ক্যাম্পে দীর্ঘ লাইন দেখা যায় আবেদন জমা দেওয়ার জন্য।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ঘোষণার পর ১৫ই ফেব্রুয়ারি থেকে রাজ্যজুড়ে এই প্রকল্পের নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় শিবির বসানো হয়েছে। মালদার ইংরেজবাজার বিধানসভায় দু’টি জায়গায় আবেদন নেওয়া হচ্ছে। শহরের মধ্যে পেডিসিল্ক ইনস্টিটিউট-এ পৌর এলাকার জন্য শিবির বসেছে। আর গ্রামীণ এলাকার আবেদনকারীদের জন্য ক্যাম্প হয়েছে মালদা গভমেন্ট মডেল মাদ্রাসা-এ।
সকাল থেকেই বহু যুবক-যুবতী লাইনে দাঁড়ান। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পর তারা মাসে ১৫০০ টাকার ভাতার জন্য ফর্ম জমা দেন। তবে অনেকেই জানান, এই পরিস্থিতি তাদের কাছে কষ্টের। তাদের বক্তব্য, দীর্ঘদিন পড়াশোনা করে ডিগ্রি অর্জন করেছেন, কিন্তু যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি পাচ্ছেন না। বাধ্য হয়ে এখন সরকারি ভাতার জন্য আবেদন করতে হচ্ছে।
কয়েকজন আবেদনকারী বলেন, তারা স্বপ্ন দেখেছিলেন স্থায়ী চাকরি করে পরিবারকে সহায়তা করবেন। কিন্তু বর্তমান অবস্থায় কাজের সুযোগ না থাকায় আর উপায় নেই। সংসারের খরচ সামলাতে মাসিক ভাতাটুকু কিছুটা সহায়ক হবে বলেই আবেদন করছেন তারা। অনেকের চোখেমুখে ছিল হতাশার ছাপ। তবুও প্রয়োজনের তাগিদে লাইনে দাঁড়িয়ে ফর্ম জমা দেন তারা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত নিয়ম মেনে আবেদন যাচাই করে উপযুক্তদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।


