হুগলি জেলার চুঁচুড়ার রাজহাট পঞ্চায়েত এলাকায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের অর্থ নিয়ে গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। এক উপভোক্তার দাবি, তাঁর প্রাপ্য ভাতা নিয়মিতভাবে অন্য কারও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ছে। বহুবার প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও তিনি কোনও সুরাহা পাননি। রাজহাটের বাসিন্দা সাহেবা খাতুন জানান, ২০২৫ সালে তিনি এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করেছিলেন। সব প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলেও দীর্ঘদিন ধরে তাঁর নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা আসেনি। অথচ একই এলাকার অন্যান্য মহিলারা নির্দিষ্ট সময়ে অনুদান পাচ্ছেন। এতে সন্দেহ হওয়ায় পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারি পোর্টালে আধার নম্বর দিয়ে তথ্য যাচাই করা হয়।
তদন্তে দেখা যায়, নাম ও আধার নম্বর ঠিক থাকলেও সংযুক্ত ব্যাঙ্ক একাউন্ট নাম্বারটি সম্পূর্ণ ভিন্ন এক ব্যক্তির। সেই অচেনা একাউন্ট নাম্বারেই নাকি কয়েক মাস ধরে প্রকল্পের অর্থ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি জানার পর সাহেবা খাতুন তাঁর স্বামী শেখ হায়দার আলীকে নিয়ে চুঁচুড়া মহকুমা শাসকের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জানান। পরিবারের অভিযোগ, এটি ইচ্ছাকৃত প্রতারণা। তাঁদের প্রশ্ন, কীভাবে সঠিক পরিচয় থাকা সত্ত্বেও ব্যাঙ্কের তথ্য বদলে গেল? ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।


