চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠছে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আহমেদ সেখ ও তার দলের উপর। পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরে ওয়াকফ সম্পত্তি জবরদখল করে, এলাকার মসজিদের এক ইমামকে বেধড়ক মারধর করে আহমেদ সেখ ও তার সঙ্গীরা। ইমাম অভিযোগ করে তাকে চড় থাপ্পড় মারে রক্তাক্ত করে দেওয়া হয়। শুধু তাই নয় গভীর রাতে তার বাড়ি জ্বালিয়ে দেয় আহমেদ সেখ ও তার লোকেরা।
কিন্তু কেন এই হামলা? জানা যাচ্ছে, বেশ কিছুদিন ওয়াকফ সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ চলছিল স্থানীয় লোকজন ও তৃণমূল নেতার মধ্যে। স্থানীয় বাসিন্দা ও মসজিদের ইমাম অভিযোগ করে, এলাকায় ওয়াকফ সম্পত্তির অন্তর্গত বেশ কিছু চাষযোগ্য জমি জবরদখল করে রাখছিলেন আহমেদ সেখ। উপরন্তু কোন প্রকার আইনি সম্মত অর্থ প্রদান করছিলেন না তিনি। তৃণমূল নেতার অনৈতিক বেআইনি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে এলাকাবাসী মন্তেশ্বর থানায় অভিযোগ দায়ের করে। তবে এরপর যা ঘটলো তা সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত। জানা যাচ্ছে, অভিযোগকারীদের ডেকে নেওয়া হয়, তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আহমেদ সেখের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধান করতে। তবে অভিযোগ উঠছে, প্রত্যেকের সাথে অশালীন আচরণ এবং বেধড়ক মারধর করা হয়।
বিরোধীরা ইতিমধ্যে তৃণমূল নেতা, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আহমেদ সেখের এমন নিন্দনীয় কাজের তীব্র বিরোধিতা শুরু করেছে। বিরোধীরা প্রশ্ন তুলছে, এখনো পর্যন্ত মূল অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কেন পুলিশ কোন পদক্ষেপ নিল না? পরবর্তীতে অভিযোগকারীরা সংখ্যালঘু কমিশনের দ্বারস্থ হলে চেয়ারম্যান ইমরান হাসান এই বিষয় কোন গুরুত্ব দেয়নি।


