ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর সভা ঘিরে বৃহস্পতিবার রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা ছড়াল। সভা শেষ হওয়ার পর শহরের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবরও সামনে আসে। গিরিশ পার্ক এলাকায় ধস্তাধস্তির ঘটনায় রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা আক্রান্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার ব্রিগেড ময়দানে সভা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আসন্ন নির্বাচনের আগে এই সভাকে ঘিরে বেশ কয়েকদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে জোর প্রস্তুতি চলছিল। সভার মঞ্চ ও সাজসজ্জায় বাংলার সংস্কৃতির ছাপ রাখার চেষ্টা করা হয় বলে দাবি আয়োজকদের।
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী রাজ্যের শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান রাজ্য সরকারের আমলে আইনশৃঙ্খলা ও জনবিন্যাস নিয়ে নানা সমস্যা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে অনুপ্রবেশের বিষয়টিও তুলে ধরে তিনি রাজ্য সরকারের সমালোচনা করেন।
অন্যদিকে সভা ঘিরে শাসকদলের তরফেও পাল্টা প্রতিক্রিয়া সামনে আসে। তাঁদের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বিভাজনের রাজনীতি করা হয়েছে এবং বাংলার বাস্তব সমস্যাগুলিকে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।
এদিকে সভা শেষে শহরের গিরিশ পার্ক এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অভিযোগ, সেখানে রাজনৈতিক কর্মীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও বচসা শুরু হয়। সেই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী শশী পাঁজা। শাসকদলের অভিযোগ, তাঁকে ঘিরে ধাক্কাধাক্কি করা হয় এবং তিনি আঘাত পান। পরে তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে তদন্তও শুরু হয়েছে।
ব্রিগেডের সভা ও তার পরবর্তী ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতি নতুন করে সরগরম হয়ে উঠেছে। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ তুলেছে। আগামী দিনে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ।


