ইউরোপ সফরে গিয়ে নরওয়েতে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি না হয়ে সাংবাদিকদের এড়িয়ে গেলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ওসলোতে যৌথ বিবৃতি শেষে নরওয়ের সাংবাদিক হেলে লিং মোদীকে প্রশ্ন করেন যে, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দাবিদার হয়েও কেন তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন না? তবে মোদী কোনো জবাব না দিয়েই চলে যান।
সাংবাদিক লিং জানান, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সূচকে নরওয়ে যেখানে প্রথম, সেখানে ১৮০টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ১৫৭তম। পরবর্তীতে ভারতীয় দূতাবাসের এক সংবাদ সম্মেলনে লিং ভারতের মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে প্রশ্ন করলে, পররাষ্ট্র মন্ত্রকের সচিব সিবি জর্জ সুনির্দিষ্ট জবাব না দিয়ে মোদী সরকারের কোভিড মোকাবিলা ও যোগব্যায়ামের কথা উল্লেখ করেন। এই ঘটনার পর সাংবাদিক লিং অনলাইনে ভারতীয় সমর্থকদের তীব্র ট্রোলিংয়ের শিকার হন।
কেবল নরওয়ে নয়, নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী রব জেটেনও মোদীর আমলে ভারতে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু ভারতীয় কূটনীতিক সিবি জর্জ এই উদ্বেগকে সাংবাদিকদের ‘বোঝাপড়ার অভাব’ বলে এড়িয়ে যান।
এর আগে ২০২৩ সালেও ওয়াশিংটনে ভারতে সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে প্রশ্ন করায় ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সাংবাদিক সাবরিনা সিদ্দিকীকে তীব্র অনলাইন আক্রমণের শিকার হতে হয়েছিল। মোদীর এবারের ওসলো সফর ভারতের সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের বিতর্ককে আন্তর্জাতিক মহলে আবারও উস্কে দিল।


