মহিলা চিকিৎসককে মারধরের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পরেও নিজের অবস্থান থেকে সরছেন না শিবসেনা নেতা রমেশ মাত্রে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, তিনি কোনও ভুল করেননি, তাই ক্ষমাও চাইবেন না। তাঁর দাবি, ওই সময় তিনি যা করেছেন, তা এক গর্ভবতী মহিলা ও তাঁর শিশুর জীবন বাঁচানোর জন্যই।
ঘটনাটি মহারাষ্ট্রের কল্যাণ-ডোম্বিভলির একটি হাসপাতালে। জানা গিয়েছে, হাসপাতালের নবজাতকদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (NICU)-তে তখন কোনও বেড খালি ছিল না। সেই সময় এক অন্তঃসত্ত্বাকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসকেরা জানান, শিশুর NICU-তে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু জায়গা না থাকায় অন্য হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এরপরই হাসপাতালে পৌঁছে ক্ষুব্ধ হন স্থানীয় কর্পোরেটর রমেশ মাত্রে।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি এক মহিলা চিকিৎসকের দিকে হাত তুলছেন। আঘাতের ধাক্কায় চিকিৎসকের হাত থেকে মোবাইল ফোন মাটিতে পড়ে যায়। তবে রমেশের দাবি, তিনি চিকিৎসককে মারেননি। তাঁর কথায়, চিকিৎসক ফোনে ব্যস্ত ছিলেন। তাই ফোনটি সরাতে গেলে ধাক্কা লাগে।
ঘটনার পরেও রমেশের বক্তব্যে অনুশোচনার কোনও ইঙ্গিত মেলেনি। উল্টে তিনি বলেছেন, তাঁর পদক্ষেপের ফলেই মা ও শিশুর প্রাণ রক্ষা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, মহিলা চিকিৎসক আগে ক্ষমা চাইলে তবেই তিনিও ক্ষমা চাইবেন।
এই মন্তব্যের পর নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কর্তব্যরত এক মহিলা চিকিৎসকের সঙ্গে এমন আচরণ এবং পরে সেই ঘটনার পক্ষে সাফাই দেওয়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র সমালোচনা চলছে।


