বাঁকুড়ার সিমলাপালের পাথরডাঙা-ভেলাইডিহা কজওয়ের কাছে শিলাবতী নদী থেকে রাতের অন্ধকারে বালি তোলার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বড় যন্ত্র ব্যবহার করে নদী থেকে বালি তোলার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে। যদিও ওই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগ সামনে আসতেই রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, পুরো ঘটনার তদন্ত করা হবে।
স্থানীয়দের একাংশের দাবি, বুধবার গভীর রাতে ১০ থেকে ১২টি ট্রাক্টরে করে নদী থেকে বালি সরানো হয়েছে। পাথরডাঙা গ্রামের এক বাসিন্দার কথায়, রাতভর যন্ত্র ও ট্রাক্টরের শব্দ শুনে তাঁদের সন্দেহ হয়। বর্ষার সময় নদীতে জল থাকার মধ্যেই এভাবে কাজ হওয়ায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
তৃণমূল ও সিপিএমের অভিযোগ, শাসকদলের মদতেই এই কাজ হয়েছে। তবে বিজেপি সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। দলের স্থানীয় নেতা জীবন দালালের দাবি, এটি বালি চুরি নয়। দীর্ঘদিন নদীর নাব্যতা কমে যাওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই কজওয়ে ডুবে যায়। তাই স্থানীয় মানুষ নিজেরাই কজওয়ের সামনে জমে থাকা বালি, মাটি ও গাছপালা সরিয়ে জল চলাচলের পথ পরিষ্কার করছিলেন।
সিপিএম নেতা কৌশিক পাইন অভিযোগ করেছেন, আগে যেমন অবৈধভাবে বালি তোলা হতো, এখনও তেমনই চলছে। অন্যদিকে প্রাক্তন বিধায়ক ফাল্গুনী সিংহবাবু বলেন, অভিযোগ সত্য হলে প্রশাসনের উচিত দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া। সিমলাপাল ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে এবং পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযানও চালানো হবে। পুলিশও জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।


