ফাঁসির বদলে কম কষ্টদায়ক উপায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আবেদন খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। তবে ভবিষ্যতে বিকল্প কোনও পদ্ধতি নিয়ে ভাবার সুযোগ রয়েছে বলেও জানাল দুই বিচারপতির বেঞ্চ।
আবেদনকারী ঋষি মলহোত্রার রাষ্ট্রসংঘের একটি প্রস্তাবের কথাও আদালতে তুলে ধরেন। সেখানে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সময় বন্দির শারীরিক যন্ত্রণা যতটা সম্ভব কমানোর কথা বলা হয়েছে।
বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। আবেদনকারী ঋষি মলহোত্রার দাবি ছিল, ফাঁসির পরিবর্তে প্রাণঘাতী ইঞ্জেকশন, গুলি বা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট করার মতো পদ্ধতি নিয়ে আদালত বিবেচনা করুক। তাঁর যুক্তি, ফাঁসিতে মৃত্যুর জন্য তুলনামূলক বেশি সময় লাগতে পারে। অন্য পদ্ধতিতে কম সময়ে মৃত্যু হতে পারে এবং শারীরিক কষ্টও কম হতে পারে।
আবেদনকারী আগের তিনটি রায় বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠানোর আবেদন করেছিলেন। কিন্তু দুই বিচারপতি তাতে প্রয়োজন দেখেননি। অতীতেও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য বিকল্প পদ্ধতি রাখার কথা উঠেছিল। তবে কেন্দ্র সেই প্রস্তাবে সম্মতি দেয়নি।
তবে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, দেশে বর্তমানে ফাঁসিই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার স্বীকৃত পদ্ধতি। তাই এই মুহূর্তে আবেদন গ্রহণ করার মতো কারণ নেই। একই সঙ্গে আদালত স্পষ্ট করেছে, ভবিষ্যতে যদি বিকল্প কোনও পদ্ধতির পক্ষে শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক তথ্য সামনে আসে, তা হলে বিষয়টি আবার খতিয়ে দেখা যেতে পারে। কেন্দ্রও চাইলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অন্য উপায় নিয়ে আলোচনা করতে পারে।


