প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পরই বদলা নেওয়ার জন্য প্রেমিক সামনে আনলো মহারাষ্ট্র পাবলিক সার্ভিস কমিশন (এমপিএসসি)-এর ড্রাগ ইনস্পেক্টর নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ।
পুলিশের দাবি, পরীক্ষার্থী ঋতুজা পাটিলের বাবা অমৃত পাটিল মেয়ের জন্য আগে থেকেই প্রশ্নপত্র জোগাড় করেছিলেন। নন্দুরবারের একটি কোচিং প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার প্রবীণ পাটিলের কাছ থেকে সেটি কেনা হয়েছিল বলে অভিযোগ। তদন্তকারীদের মতে, প্রথমে ৫ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়। পরে মোট ১২ লক্ষ টাকায় চুক্তি হয়েছিল।
পুলিশের আরও বক্তব্য, রাগের বশে ঋতুজার প্রেমিক গৌরব বিষয়টি জানিয়ে অভিযোগ করেন। পরে অভিযোগ প্রত্যাহারের চেষ্টা করলেও তদন্ত থামেনি। তদন্তে জানা যায়, পরীক্ষার আগে বেআইনিভাবে প্রশ্ন বিক্রির ব্যবস্থা হয়েছিল।
গৌরব পাটিলও ওই পরীক্ষার পরীক্ষার্থী ছিলেন। অভিযোগ, হাতে পাওয়া প্রশ্নগুলি ঋতুজা গৌরবের সঙ্গেও ভাগ করে নেন। ২২ মার্চ পরীক্ষা হওয়ার পর ফল প্রকাশিত হলে ঋতুজা উত্তীর্ণ হলেও গৌরব ব্যর্থ হন। তা নিয়েই দু’জনের মধ্যে বিবাদ শুরু হয় এবং শেষ পর্যন্ত সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়।
ঘটনায় ২০২৪ সালের মহারাষ্ট্র প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা সংক্রান্ত আইন এবং দুর্নীতি দমন আইনে মামলা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন এমপিএসসির বিশ্বেশ্বর দত্তাত্রেয় নাকাতে, অভিজিৎ গণপতরা লেন্ডভে ও গোপাল ভাট্টু মরাঠে। এছাড়াও রয়েছেন প্রবীণ, অমৃত এবং গৌরব। আদালত তাঁদের ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছে।
ঘটনায় মুম্বই পুলিশ ছ’জনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের মধ্যে কমিশনের তিন কর্মীও রয়েছেন। ঘটনার পর ড্রাগ ইনস্পেক্টর পদে নিয়োগের পরীক্ষাটি বাতিল করেছে এমপিএসসি।


