তৃণমূলের ২০ জন ‘বিদ্রোহী’ সাংসদের সামনে এখন বড় আইনি ও রাজনৈতিক চাপ। আগামী ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাঁদের স্পিকার ওম বিড়লার কাছে নিজেদের অবস্থান জানাতে হবে।
তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই সাংসদদের পদ খারিজের দাবি জানিয়েছেন। কেন তাঁদের সাংসদ পদ বাতিল করা হবে না, চিঠিতে তার ব্যাখ্যা দিতে হবে। ২৫ আগস্ট সুপ্রিম কোর্ট স্পিকারকে এই বিষয়ে পদক্ষেপের নির্দেশ দেয়। এরপরই ২০ সাংসদকে চিঠি পাঠান ওম বিড়লা।
সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষদস্তিদার জানিয়েছেন, আইনজীবীরা তাঁদের হয়ে জবাব তৈরি করছেন। খুব শীঘ্রই তা স্পিকারের কাছে পাঠানো হবে। তাঁদের দাবি, দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য একসঙ্গে তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআইতে যাওয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ-বিরোধী আইন প্রযোজ্য নয়।
তবে বিদ্রোহীদের মধ্যে কয়েকজনকে ঘিরে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। আবু তাহের স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি বিজেপিতে যোগ দেবেন না।
এর মধ্যেই জল্পনা বাড়ছে স্পিকারের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে। সূত্রের খবর, ২০ সাংসদের বক্তব্য পাওয়ার পর বিষয়টি নিজে সিদ্ধান্ত না নিয়ে লোকসভার প্রিভিলেজ কমিটির কাছে পাঠাতে পারেন ওম বিড়লা।
এর আগে শিশির অধিকারীর সাংসদ পদ নিয়ে একই কমিটিতে বিষয়টি গিয়েছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের আগে তার নিষ্পত্তি হয়নি। এবারও কি সিদ্ধান্ত ঝুলে থাকবে? নাকি দ্রুত মিলবে রায়—সেই প্রশ্নেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।


