নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় ২০১৬ সালের পুরো নিয়োগ তালিকা বাতিল হওয়ার পর চাকরি হারিয়েছিলেন ২৬ হাজার শিক্ষক ও অশিক্ষাকর্মী। নতুন করে নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই প্রক্রিয়া শেষ করতে এবার রাজ্যকে আরও সময় দিল শীর্ষ আদালত।
সোমবার বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি সচিন সচদেবার বেঞ্চ রাজ্য সরকার ও স্কুল সার্ভিস কমিশনের আবেদন মেনে নেয়। তবে আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, এটাই শেষ সুযোগ। এর পর আর সময় বাড়ানো হবে না।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী আট মাসের মধ্যে ৩৫ হাজার শূন্যপদে নতুন নিয়োগ শেষ করতে হবে। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২০২৭ সালের ৩১ মে।
চাকরি হারানো শিক্ষকদের মধ্যে যাঁদের ‘অযোগ্য’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি, তাঁদের আপাতত স্কুলে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি আগেই দিয়েছিল আদালত। গত ১৮ ডিসেম্বর দেওয়া সেই নির্দেশই সোমবার বহাল রাখা হয়েছে।
ফলে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত ওই শিক্ষকেরা কাজে থাকতে পারবেন। একই সময়ের মধ্যে ২০২৫ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়াও শেষ করতে হবে এসএসসি এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদকে।
প্রায় ৩৫ হাজার কর্মীর চাকরি চলে যাওয়ার পর রাজ্যের স্কুলগুলিতে শিক্ষক ও কর্মীর ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। নতুন নিয়োগ দ্রুত শেষ না হলে শিক্ষাব্যবস্থায় বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে বলেও আশঙ্কা ছিল।
এবার আদালতের দেওয়া সময়সীমার মধ্যেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করাই রাজ্য ও এসএসসির সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।


