ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ডের একাধিক জেলা। পৌড়ীর কোটদ্বারে নদীর জলের স্রোতে ভেসে মা ও তাঁর দেড় বছরের মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। অলমোড়ার হবালবাগে বাড়ি ধসে প্রাণ হারিয়েছেন দুই মহিলা ও এক শিশু। ধারের টুনি এলাকায় ধসের নীচে চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে দুই নেপালি শ্রমিকের। সব মিলিয়ে রাজ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাত।
দুর্যোগের জেরে উত্তরাখণ্ডে ১৭২টি রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। পিথোরাগড়, নৈনীতাল ও বাগেশ্বরে কয়েকটি জাতীয় সড়কও ক্ষতিগ্রস্ত। নৈনীতালের শিপ্রা ও কোশী নদীর জল বিপদসীমার কাছে পৌঁছেছে। পরিস্থিতি সামলাতে নৈনীতাল, চম্পাবত, উধম সিংহ নগর ও পিথোরাগড়ে বুধবার পর্যন্ত স্কুল এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বন্ধ রাখা হয়েছে।
গোলা নদীতে বিপুল পরিমাণ জল ছাড়ায় হলদোয়ানী, উধম সিংহ নগর, পুলভট্টা, শান্তিপুরী ও সূর্যনগরে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নিচু এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক করে মাইকিং করছে প্রশাসন। খটীমার বনগাঁওয়েও জল ঢুকতে শুরু করায় স্থানীয়দের নিরাপদ জায়গায় সরানো হচ্ছে।
এদিকে ঝাড়খণ্ডের একাধিক জেলায় হড়পা বানের সতর্কতা জারি হয়েছে। ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গরওয়া, পলামু, সিমডেগা ও পশ্চিম সিংভূমে লাল সতর্কতা রয়েছে।
উত্তরপ্রদেশেও গঙ্গার জল বিপদসীমা ছাড়িয়েছে। বারাণসীর ৮৪টি ঘাট জলের নীচে। চিত্রকূট ও মন্দাকিনী নদীর জলও বেড়েছে। বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হওয়ায় বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় রাজ্যের ২০টির বেশি জেলায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।


