পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা কিছুটা কমেছে। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে আবার আলোচনাও শুরু হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে। অপরিশোধিত তেলের দাম যুদ্ধের আগের অবস্থায় ফিরে এলেও সাধারণ মানুষের ব্যবহৃত পেট্রল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের দামে কোনও পরিবর্তন হয়নি।
বুধবার কেন্দ্র সরকার বিমানে ব্যবহৃত জ্বালানি এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েল (ATF)-এর দাম লিটারপিছু ৫ টাকা কমিয়েছে। ফলে এর দাম দাঁড়িয়েছে ১১০ টাকা। অন্যদিকে কলকাতায় পেট্রলের দাম এখনও লিটারপ্রতি ১১৩ টাকা ৫১ পয়সা। অর্থাৎ এখন বিমানের জ্বালানি পেট্রলের চেয়েও সস্তা। এই বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। বিরোধীরাও সরকারের সমালোচনায় সরব।
শুধু এটিএফ নয়, অটোরিকশায় ব্যবহৃত এলপিজির দামও ৭ টাকা কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ১৯ কেজির বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের দামও ১৮৩ টাকা ৫০ পয়সা কমেছে। তবে গৃহস্থের রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের দামে কোনও ছাড় মেলেনি।
এদিকে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি পেট্রল ও ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রেখেছে। তবে বেসরকারি সংস্থা নায়ারা এনার্জি তাদের পাম্পগুলিতে পেট্রলের দাম লিটারপিছু ৫ টাকা এবং ডিজেলের দাম ৩ টাকা কমিয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমলেও সরকারি সংস্থাগুলি কেন সাধারণ মানুষকে সেই সুবিধা দিচ্ছে না। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্র সরকার সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি করছে। এই ইস্যুতে রাজনৈতিক চাপও ক্রমশ বাড়ছে।


