বাঁকুড়ার ইন্দাসে ককরোচ জনতা পার্টির সদস্যের বাবার মৃত্যুতে পুলিশ এবং বিজেপি যোগের অভিযোগ তুললেন ককরোচ নেতা আশুতোষ রাঙ্কা। অপরাধীদের গ্রেফতার করার জন্য প্রশাসনকে ১০ দিনের সময়ও বেঁধে দিলেন তিনি।
সোমবার আব্দুল হাফিজের বাড়িতে পৌঁছন সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা। সাথে শতরূপ ঘোষ, ময়ূখ বিশ্বাসের মতো রাজ্য রাজনীতিতে পরিচিত মুখেরাও ছিলেন। ইন্দাসে আব্দুলের বাবার মৃত্যুতে বিজেপি যোগের অভিযোগ উঠছে প্রথম থেকেই। এবার এই ঘটনায় পুলিশের জড়িত থাকার অভিযোগ করলেন আশুতোষ।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, “পুলিশ আব্দুলের পরিবারকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। হাসপাতাল পর্যন্ত কোনো নিরাপত্তাই দেয়নি পুলিশ। যার ফলে আক্রান্ত হতে হয়েছে এই পরিবারটিকে। এমনকি থানাতেও পরিবারের সদস্যদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এর থেকেই পরিষ্কার ইন্দাস পুলিশ স্টেশন বিজেপির গুণ্ডাদের সাথে মিলিত আছে। আমার মনে হয় পুলিশ চাইছিল যে আব্দুলের পরিবারের সাথে হিংসার ঘটনা হোক”।
তিনি আরও বলেন, “এখনও অনেক লোক আছে যাদের আব্দুল এবং তাঁর মা চিহ্নিত করেছেন কিন্তু পুলিশ এখনও গ্রেফতার করেনি। আমরা অপরাধীদের গ্রেফতার করার জন্য বাংলার পুলিশকে ১০ দিনের সময় দিচ্ছি। যদি প্রশাসন পদক্ষেপ না নেয় তাহলে জেলা কার্যালয় ঘেরাও করবো। বাংলার সকল আরশোলা এক জায়গায় হবে”।
সিজেপি সদস্য আব্দুল বলেন, “দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে উন্নত করার জন্যই আমাদের লড়াই। সেই লড়াই করতে গিয়েছিলাম বলে আমার বাবার মৃত্যু হয়েছে। এর বিচার আমি চাই। আমার কোনও ক্ষতিপূরণ চাইনা। সরকার বিশ্বমানের একটি স্কুল তৈরি করুক। সেই স্কুলের নাম আমার বাবার নামে হোক”।
প্রসঙ্গত, ককরোচ জনতা পার্টি প্রধান অভিজিৎ দীপকে দেশজুড়ে সরকারি স্কুল পরিদর্শনের কর্মসূচীর ডাক দেন। ওই কর্মসূচী অনুযায়ী এলাকার সরকারি স্কুল পরিদর্শনে যান ইন্দাস থানার অন্তর্গত কারিসুন্দা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল। অভিযোগ, এরপরই ১৫০-২০০ জন ব্যক্তি নিজেদের বিজেপিকর্মী দাবি করে আব্দুল ও তাঁর পরিবারের উপর চড়াও হয়। মারধরও করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। আব্দুলের বাবার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। সংকটজনক অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু চিকিৎসার পরেও তাঁর মৃত্যু হয়। কয়েকজনের নামও প্রকাশ করেন আব্দুল।


