বেহালা পূর্বে বিজেপির দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব ঘিরে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, দলের মহিলা মণ্ডল সভাপতি ডালিয়া ঘোষ বসুকে মারধর করেছেন বিজেপি বিধায়ক শংকর সিকদার এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকজন কর্মী। রবিবার গভীর রাতে জেমস লং সরণির কাছে এই ঘটনা ঘটে বলে দাবি। সোমবার ঠাকুরপুকুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন পেশায় আইনজীবী ডালিয়াদেবী।
জানা গিয়েছে, একটি জন্মদিনের অনুষ্ঠান শেষে কমিউনিটি হল থেকে সাজসজ্জার জিনিস সরাচ্ছিলেন শুভ মণ্ডল ও তাঁর বাবা লাল্টু মণ্ডল। অভিযোগ, কয়েকজন বিজেপি কর্মী তাঁদের কাছে কাঠ ও লোহার কিছু সামগ্রী চান। ডালিয়াদেবীর দাবি, ওই জিনিস দিয়ে তৃণমূলের একটি পার্টি অফিস ভাঙার কথা বলা হয়েছিল। শুভ ও লাল্টুরা তা দিতে রাজি না হওয়ায় তাঁদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন ডালিয়াদেবী। তিনি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। অভিযোগ, পুলিশ পৌঁছনোর পর স্থানীয় বিধায়কও সেখানে আসেন। সেই সময় ফের গোলমাল শুরু হয়। ডালিয়াদেবীর দাবি, তাঁকে ঘুষি মারা হয় এবং অসদাচরণও করা হয়।
ঘটনার পর তাঁকে এম আর বাঙ্গুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। দলের একাংশও অভিযুক্ত বিধায়কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছে।
অভিযোগ অস্বীকার করে শংকর সিকদার বলেন, সব অভিযোগই মিথ্যা। তাঁর প্রশ্ন, বিষয়টি যদি সত্যি হয়, তাহলে আগে দলের নেতৃত্বকে না জানিয়ে পুলিশে অভিযোগ করা হল কেন? তবে জানা গিয়েছে, ডালিয়া দেবী রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের কাছেও লিখিত অভিযোগ পাঠিয়েছেন।


