মধ্যপ্রদেশের শিবপুরী জেলার করেরা এলাকায় এক গুরুতর সড়ক দুর্ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ১৬ এপ্রিল সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, দীনেশ লোধী নামে এক যুবক দ্রুত গতিতে গাড়ি চালাতে গিয়ে পাঁচজন পথচারীর উপর উঠে পড়েন। আহতদের মধ্যে দুই মহিলা ও তিনজন পুরুষ রয়েছেন। স্থানীয় মানুষজন দ্রুত তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
ঘটনাস্থলে উপস্থিতদের দাবি, একটি কালো রঙের গাড়ি হঠাৎ পেছন দিক থেকে এসে প্রথমে হাঁটতে থাকা দুই মহিলাকে ধাক্কা দেয়। এরপর সামনে থাকা একটি মোটরবাইককেও আঘাত করে। এতে বাইকে থাকা তিনজন গুরুতরভাবে জখম হন। দুর্ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
এই ঘটনার পর দীনেশ লোধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে তিনি অসতর্কভাবে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠালে তিনি একই গাড়ি নিয়ে থানায় যান। জানা যায়, সেই গাড়িতে কোনো নম্বর প্লেট ছিল না এবং কাঁচে কালো ফিল্ম লাগানো ছিল, যা নিয়মবিরুদ্ধ। এছাড়া গাড়িতে সাইরেনও বসানো ছিল।
পুলিশ সূত্রে খবর, জিজ্ঞাসাবাদের সময় দীনেশ নিজের দোষ স্বীকার না করে বলেন, তিনি হর্ন বাজিয়েছিলেন, কিন্তু সামনে থাকা মানুষজন রাস্তা ছাড়েননি। ফলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ট্রাফিক নিয়ম ভাঙার অভিযোগে তাকে জরিমানা করা হয়, তবে পরে গাড়িটি ছেড়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার পর তার বাবা, যিনি একজন বিধায়ক, প্রথমে সামাজিক মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাশে থাকার কথা বলেন। কিন্তু পরে তিনি পুলিশের আচরণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এক পুলিশ অফিসারের সঙ্গে তার কথোপকথন ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তিনি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং নিজের ছেলেকে সমর্থন করেন। এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে।


