আইন রক্ষকের হাতেই এবার আইন ভঙ্গ। দিল্লির দ্বারকা এলাকায় পুলিশ কর্মীর গুলিতে নিহত এক তরুণ এবং গুরুতর ভাবে আহত আরও এক। এমন মর্মান্তিক ঘটনার ফলে রবিবার গভীর রাতে জাফরপুর কলান এলাকায় বসবাসকারী সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, এবং প্রশ্ন ওঠে স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে।
পুলিশ সূত্রে খবর, রুপেশ নামক এক দিনমজুরের বাড়িতে জন্মদিনের পার্টি চলছিল। তার বাড়িতে আনুমানিক কুড়িজন অতিথি উপস্থিত ছিলেন। রাত দুটো নাগাদ রুপেশের বাড়ির বাইরে কয়েকজন দাঁড়িয়ে গল্প করছিলেন। এমন সময় সেখানে পৌঁছন নীরজ নামে এক ব্যক্তি। পুলিশ জানিয়েছে, নীরজ ওই পাড়াতেই একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতো। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পুলিশের পেশাল সেলে কর্মরত নিরাজ হঠাৎ করেই রাস্তায় উপস্থিত রুপেশের আত্মীয়দের সঙ্গে বাকবিদণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের মাঝেই হঠাৎ করে মেজাজ হারিয়ে গুলি চালিয়ে ফেলেন নীরজ। গুলি সরাসরি গিয়ে লাগে পাণ্ডব কুমারের বুকে। পাণ্ডব কুমারের বুক ভেদ করে গুলি লাগে কৃষ্ণ নামক আরেক যুবকের পেটে। জানা যাচ্ছে, পাণ্ডব কুমার পেশায় ডেলিভারি বয়ের কাজ করতেন।
এই ঘটনার পরক্ষণ এই এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। দু’জনকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা পাণ্ডবকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত কৃষ্ণ এখনও চিকিৎসাধীন, তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। ঘটনার পর পুলিশ অভিযুক্ত নীরজকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁর বিরুদ্ধে খুন ও খুনের চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। এমন মর্মস্পর্শী ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপি শাসিত রাজ্যে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা।


