স্বাধীন ভারতের প্রতিটি মন্ত্রীসভায় কোন কোন মুসলিম মন্ত্রী হিসেবে ছিলেন। কিন্তু এই প্রথমবারের মতো কোনো মুসলিম সাধারণ নির্বাচনের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেননি।
বিজেপির মুখতার আব্বাস নকভি সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ার তিন বছর পরে ২০২২ সালে রাজ্যসভায় পুনঃনির্বাচিত না হওয়ার নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বিদায়ী মন্ত্রী পরিষদ মুসলিম মন্ত্রী শূণ্য হয়ে পড়ে।
২০১৪ সালে যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রথমবারের মতো শপথ নেন তখন নাজমা হেপতুল্লা সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। ২০১৯ সালে নকভিও শপথ নেন সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে।
১৯৯৯ সালে অটল বিহারী বাজপেয়ী সরকারের মন্ত্রী পরিষদে দুজন মুসলিম ছিলেন। তারা হলেন শাহনওয়াজ হুসেন এবং ওমর আবদুল্লাহ।
২০০৪ এবং ২০০৯ সালে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের মন্ত্রী পরিষদে যথাক্রমে চার এবং পাঁচজন মুসলিম এমপি ছিলেন।
এবার, এনডিএ জোটে শুধুমাত্র একজন মুসলিম প্রার্থী বিজেপির টিকিটে কেরালার মালাপ্পুরম কেন্দ্রে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। বিহারের কিশানগঞ্জে এনডিএ অংশীদার জেডি(ইউ) একজন মুসলিমকে প্রার্থী করেছিল, কিন্তু কংগ্রেস প্রার্থীর বিরুদ্ধে তিনি জয়ী হতে পারেননি।
১৮ তম লোকসভায় মুসলিম সাংসদ আছে ২৪ জন। এর মধ্যে ২১ জনই ইন্ডিয়া জোট থেকে। অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমীন থেকে নির্চাচিত হয়েছেন আসাদউদ্দিন ওয়াইসি, এবং স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে আবদুল রশিদ শেখ বা ‘ইঞ্জিনিয়ার রশিদ’ এবং জম্মু কাশ্মীর থেকে মোহাম্মদ হানিফা।
ক্ষমতাসীন এনডিএ জোটের ২৯৩ জন সাংসদের তালিকায় একজন শিখ বা খ্রিস্টান এমপিও নেই।


