নতুন অর্থবর্ষের শুরুতেই সাধারণ মানুষের জন্য এল খারাপ খবর। দেশের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম আবারও বাড়তে চলেছে। কেন্দ্র সরকারের অনুমতি পাওয়ার পর প্রায় ৯০০ ধরনের ওষুধের মূল্য বৃদ্ধি প্রায় নিশ্চিত বলে জানা গেছে। এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ন্যাশনাল ফার্মাসিটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটি।সরকারি তথ্য অনুযায়ী, পাইকারি মূল্য সূচক কিছুটা বেড়েছে। সেই কারণেই ওষুধের সর্বোচ্চ খুচরো মূল্য সামান্য বাড়ানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যদিও শতাংশের হিসেবে এই বৃদ্ধি খুব বেশি নয়, তবুও এর প্রভাব পড়বে বহু মানুষের জীবনে। বিশেষ করে ডায়াবিটিস, উচ্চ রক্তচাপ, সংক্রমণ ও ব্যথার মতো রোগের ওষুধের দাম বাড়লে সমস্যা আরও বাড়বে। এই তালিকায় থাকা বেশিরভাগ ওষুধই দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করা হয়। ফলে প্রায় প্রতিটি পরিবারকেই বাড়তি খরচের মুখে পড়তে হবে। চিকিৎসা খরচ এমনিতেই অনেকের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে, তার ওপর এই নতুন মূল্যবৃদ্ধি মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তদের উপর বাড়তি চাপ তৈরি করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি বছর WPI-এর উপর ভিত্তি করে ওষুধের দাম পরিবর্তন করা যায়। তাই সংস্থাগুলিকে আলাদা করে অনুমতি নিতে হয় না। তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহলে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। চিকিৎসক ও ওষুধ ব্যবসায়ীদের একাংশ মনে করছেন, জীবনরক্ষাকারী ও অত্যাবশ্যক ওষুধের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া উচিত ছিল। তাদের অভিযোগ, এই সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের তুলনায় ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলিই বেশি সুবিধা পাবে। সব মিলিয়ে বলা যায়, শতাংশ কম হলেও এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে বড় আকার নিতে পারে এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে তার সরাসরি প্রভাব পড়বে।
নতুন অর্থবর্ষে সাধারণ মানুষের জন্য দুঃসংবাদ! ৯০০টি জীবনদায়ী ওষুধের দাম বৃদ্ধিতে অনুমোদন দিল কেন্দ্র সরকার
Popular Categories


