আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির পর হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল পরিবহণ আবার স্বাভাবিক হচ্ছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামও কমেছে। ব্রেন্ট ক্রুড এখন ব্যারেলপ্রতি ৭০-৭২ ডলারের মধ্যে রয়েছে। এতে আশা তৈরি হয়েছিল, ভারতে পেট্রল-ডিজেলের দামও কমতে পারে।
এরই মধ্যে বেসরকারি সংস্থা নায়ারা এনার্জি পেট্রলের দাম লিটারপিছু ৫ টাকা এবং ডিজেলের দাম ৩ টাকা কমিয়েছে। পাশাপাশি কমেছে বাণিজ্যিক এলপিজি ও অটোগ্যাসের দামও। তবে সরকারি তেল সংস্থাগুলি এখনও কোনও পরিবর্তন আনেনি।
কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী জানিয়েছেন, এখনই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না। তাঁর কথায়, বর্তমানে যে তেল বিক্রি হচ্ছে, তার কাঁচামাল প্রায় দুই মাস আগে বেশি দামে কেনা হয়েছিল। তাই আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলেও তার প্রভাব এখনই দেখা যাবে না।
মন্ত্রী আরও বলেন, যদি আগামী কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাস আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমই থাকে, তাহলে পেট্রল-ডিজেলের দাম কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
হরদীপের দাবি, ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে জুনের শেষ পর্যন্ত পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের কারণে সরকারি তেল সংস্থাগুলির প্রায় ৭৪,৭৮১ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। সেই সময়েও দেশে কোথাও জ্বালানির অভাব হয়নি এবং সব পেট্রল পাম্প স্বাভাবিকভাবে চালু ছিল।
তবে বিরোধীদের অভিযোগ, আন্তর্জাতিক বাজারে আগেও তেলের দাম কমেছিল, কিন্তু তার সুবিধা সাধারণ মানুষ পাননি। তাই এবারও সরকার কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে দেশের মানুষের।


