কলকাতা পুরসভার অধীনে থাকা ১০৫টি সেতুর নিচে বসবাসকারী মানুষ ও ব্যবসায়ীরা উচ্ছেদের নোটিস নিয়ে এবার আদালতের পথে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাঁদের দাবি, আগে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে, তারপরই জায়গা খালি করা হোক। তবে অনেকেই নিজেরাই জানেন, ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় পুনর্বাসন পাওয়া কঠিন হতে পারে। তবুও শেষ ভরসা হিসেবে আদালতের দিকেই তাকিয়ে আছেন তাঁরা।
শহরের পুরনো ও ঝুঁকিপূর্ণ সেতুগুলো ভাঙা ও সংস্কারের জন্য পুরসভা এই নোটিস দিয়েছে। শনিবার ও রবিবার থেকে কিছু জায়গায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা। তাই অনেকেই ইতিমধ্যেই নিজের জিনিসপত্র সরাতে শুরু করেছেন। কিছু খাটালের গরু–মোষও ট্রাকে করে অন্য জায়গায় পাঠানো হচ্ছে।
বন্ডেলগেট, ঢাকুরিয়া-বিজন সেতু, অরবিন্দ সেতু সহ একাধিক এলাকায় মানুষ এখন রাজনৈতিক দলের নেতাদের কাছে সাহায্যের জন্য যাচ্ছেন। তবে অনেকেই অভিযোগ করছেন, বড় রাজনৈতিক দলগুলো এই বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নিচ্ছে না।
এই সেতুগুলোর বড় অংশের দায়িত্বে রয়েছে কেএমডিএ, পাশাপাশি কিছু সেতু দেখাশোনা করে পূর্ত দফতর, হুগলি রিভার ব্রিজ কমিশন এবং কলকাতা পুরসভা। বিশেষজ্ঞদের মতে, বহু সেতু দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় বিপজ্জনক অবস্থায় পৌঁছেছে।
অন্যদিকে, সেতুর নিচে থাকা বাসিন্দাদের মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের লোকও আছেন। ফলে এই উচ্ছেদ ইস্যু এখন রাজনৈতিকভাবেও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।


