উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে ঘটেছিল এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড। সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরে পিসিশাশুড়ি সুমিতা ঘোষকে খুন করে তাঁর দেহ ট্রলি ব্যাগে ভরে লোপাটের চেষ্টা করে আরতি ঘোষ ও তাঁর মেয়ে ফাল্গুনী ঘোষ। ঘটনার পর তাঁরা নিহতের টাকায় খাওয়া-দাওয়া ও গয়না কেনেন। পরদিন ভোরে আহিরীটোলা ঘাটে ট্রলি নিয়ে যেতেই স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। ট্রলি খুলতেই বেরিয়ে আসে রক্তমাখা দেহ। পুলিশ এসে গ্রেপ্তার করে দু’জনকে। দীর্ঘ তদন্তের পর বারাসতের অতিরিক্ত জেলা বিচারক আদালত সোমবার এই মামলায় রায় ঘোষণা করে। আদালত অভিযুক্ত আরতি ও ফাল্গুনী ঘোষকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় এবং এক লক্ষ টাকা জরিমানা করে। জরিমানা না দিলে আরও ছ’মাস কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এই রায়ে স্বস্তি পেয়েছেন মৃতার পরিবারের সদস্যরা। ঘটনাটি গোটা রাজ্যকে নাড়া দিয়েছিল, কারণ এই নৃশংসতায় মায়ের সঙ্গে মেয়ের জড়িত থাকা সবাইকে হতবাক করেছিল।
Popular Categories


