শনিবার সকাল পর্যন্ত পুলিশের হিসাবে প্রাণ হারিয়েছেন ৬১৬ জন। ধ্বংসস্তূপ ও জমে থাকা কাদার মধ্যে থেকে একের পর এক ছিন্নভিন্ন দেহ উদ্ধার। এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ। তাই মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা করছে প্রশাসন।
পুলিশ ও নেপালি সেনা যৌথ ভাবে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। দুর্গম এলাকায় এখনও নিখোঁজদের খোঁজ চলছে। অনেক জায়গায় রাস্তা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় হেলিকপ্টারে আটকে পড়া মানুষদের নিরাপদ জায়গায় সরানো হচ্ছে। দুর্গম সীমান্তবর্তী এলাকাগুলির সঙ্গেও কাঠমান্ডুর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
নেপালের বিভিন্ন জেলার মধ্যে চিতোয়ানে সবচেয়ে বেশি দেহ মিলেছে। সেখানে ২৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নওয়ালপারসি পূর্বে ১৫৮, গোর্খায় ৪৮, নওয়ালপারসি পশ্চিমে ৪৭, ধাদিংয়ে ৪৫, নুয়াকোটে ৪১, তানাহুনে ৩১ এবং রাসুয়ায় ১৩ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে।
বুধবার রাসুয়া জেলায় হিমবাহ ভেঙে জল ও কাদার প্রবল স্রোত নেমে আসে। ভেসে যায় বহু বাড়ি, রাস্তা ও গ্রাম। ভারতও নেপালকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে। ত্রাণ পাঠানোর পাশাপাশি উদ্ধারকারী দল পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এখনও প্রায় ৩২০ জন ভারতীয়ের খোঁজ মেলেনি।
এদিকে নতুন বিপদ তৈরি হয়েছে ভোটেকোশী ও ত্রিশূলী নদীকে ঘিরে। নদীগুলিতে কাদা মেশানো স্রোত এখনও রয়েছে। চিন সীমান্তের পাহাড়ি এলাকায় বানের জেরে একটি অস্থায়ী জলাশয় তৈরি হয়েছে। সেটি প্রায় পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় ফের জল উপচে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।


