বুধবারের ভয়াবহ হড়পা বানের পর ফের বিপদের আশঙ্কা নেপালে। নতুন বিপদের আশঙ্কায় তিব্বত ও নেপালের কয়েকটি এলাকায় উদ্ধার অভিযান সাময়িক ভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। নদীর আশপাশে থাকা বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ জায়গায় সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন।
চিন সীমান্তের তিব্বতে বরফধসের জন্য তৈরি হওয়া একটি জলাধার থেকে জল বেরিয়ে নীচের দিকে নামতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই নেপালের রাসুয়া জেলায় সেই জল ঢোকার খবর মিলেছে। বুধবারের দুর্যোগে এই এলাকাটিই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
বুধবার ভোটেকোশী নদীতে ঠিক যে পরিস্থিতির ফলেই এত বড় বিপর্যয় ঘটেছিল সেই পরিস্থিতি আবারও তৈরি হচ্ছে বলে আশঙ্কা চিনের।
চিন আগেই নেপালকে সতর্ক করেছিল। তাদের জলসম্পদ দফতরের মতে, বরফ, পাথর ও কাদামাটি পাহাড়ি নদীগুলির গতিপথে জমে গিয়ে কোথাও কোথাও জলের স্বাভাবিক চলাচল আটকে দিয়েছে। ফলে সেখানে অস্থায়ী জলাধার তৈরি হয়েছে। জলের পরিমাণ বেড়ে গেলে এই বাধা ভেঙে গিয়ে প্রবল স্রোতে পাথর, কাদা ও বরফ নীচের দিকে ছুটে আসতে পারে।
বৃহস্পতিবার রাতে চিনের জলসম্পদ দফতর আরও জানায়, তিব্বতের ছোকেন খোলা ও পুরেপি সাংপো নদীর মিলনস্থলে বরফ, কাদা ও পাথর জমে একটি কৃত্রিম হ্রদের মতো জলাধার তৈরি হয়েছে। দুই নদীই তিব্বত থেকে নেপালের দিকে প্রবাহিত হয়েছে। জলাধারটি ভেঙে গেলে ফের বড় বন্যা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে চিন। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে নেপাল প্রশাসনও।


