পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রায় নয় বছর ধরে চাকরি না মেলায় ক্ষুব্ধ চাকরি প্রার্থীরা সোমবার জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্ষদের দপ্তরের সামনে জড়ো হয়ে আন্দোলনে নামেন। নিয়োগপত্রের দাবিতে তারা ঘেরাও ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।
আন্দোলনকারীদের দাবি, NIOS এর মাধ্যমে ডিএলএড প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করার পরও প্রায় ৪০০ জন প্রার্থী এখনও কাজ পাননি। এদিন দপ্তরের সামনে উত্তেজনা বাড়লে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সম্পাদক মলয় মণ্ডল জানান, বিষয়টি আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী এগোবে। তবে ঠিক কবে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে, সে বিষয়ে এখনই কিছু জানানো সম্ভব নয় বলে তিনি বলেন। আন্দোলনকারীরা আরও অভিযোগ করে, “নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে আমাদেরকে বের করে দেওয়া হয়। এরপর আমরা গৌতম পালের কাছে যাই। তিনি আমাদের জানান, সুপ্রিম কোর্টের থেকে ভ্যালিড করে নিয়ে আসুন।” সুপ্রিম কোর্টে মামলায় ১২৩৩ পিটিশনারদের নিয়োগের নির্দেশ দেওয়ার পরেও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ নিয়োগ দিলোনা। দুর্ভাগ্যবশত সুপ্রিম কোর্টে লড়াই করার পরেও এখনো উদাসীন পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান গৌতম পাল মহাশয়। চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ, অহেতুক হেনস্থা করে বেআইনিভাবে নথি চাওয়া হয়। চাকরি প্রার্থীরা জানাচ্ছে, NIOS থেকে ডিএলএড প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করা ব্যক্তিদের শুধু অ্যাটেনডেন্স নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে, NIOS এর বাইরে প্রশিক্ষিত ব্যক্তিদের ইন্টারভিউ নেওয়া হচ্ছে।এরই প্রতিবাদে গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বিভিন্ন জায়গায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ সংগঠন করে চাকরিপ্রার্থীরা।


