পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় সরকারি স্কুলগুলি আজ গভীর সংকটের মুখে। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক-শিক্ষিকার ঘাটতি, নতুন নিয়োগে জটিলতা এবং বেতন বৃদ্ধি সংক্রান্ত অনিশ্চয়তার ফলে বহু স্কুলে পঠনপাঠন কার্যত ব্যাহত হচ্ছে। গ্রামাঞ্চলের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলগুলিতে এক বা দু’জন শিক্ষক দিয়ে একাধিক শ্রেণি চালাতে হচ্ছে। কোথাও আবার শিক্ষক না থাকায় স্কুলে স্কুলে তালা ঝুলছে। শিক্ষক সংগঠনগুলির অভিযোগ, নিয়মিত বেতন বৃদ্ধি না হওয়া ও পদোন্নতির সমস্যা শিক্ষকদের মনোবল ভেঙে দিচ্ছে। অন্যদিকে অভিভাবকরা বাধ্য হয়ে তাঁদের সন্তানদের বেসরকারি স্কুলে ভর্তি করাচ্ছেন, ফলে সরকারি স্কুলে ছাত্রসংখ্যা ক্রমশ কমছে।
শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ, বেতন কাঠামো সংস্কার এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়ন না হলে সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা আরও দুর্বল হয়ে পড়বে। রাজ্য সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবিতে সরব হয়েছে বামেরা। আজ মুর্শিদাবাদের বামেদের ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে DM অফিসে জমা দেওয়া হল ডেপুটেশন। ইতিমধ্যে রাজ্যে ৭০০০ প্রাইমারি স্কুল বন্ধ হয়ে গেছে। প্রতিনিয়ত বেতন বৃদ্ধির কারণে, সরকারি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের যাওয়া দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে। পর্যাপ্ত শিক্ষক শিক্ষিকার অভাবে বন্ধ হচ্ছে সরকারি স্কুলের পঠন পাঠন। এমন আবহে মুর্শিদাবাদের SFI -এর জেলা সভাপতি অদিতি নন্দীর নেতৃত্বে, সোমবার দুপুর ২:০০ নাগাদ সরকারি স্কুলের বেতন কমানোর দাবিতে DM অফিসে জমা দেওয়া হল ডেপুটেশন।


