মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনা বেড়েছে। হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সংঘাত নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে। ফলে গোটা অঞ্চলে যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকার ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী।
আমিরশাহীর এক বিশ্লেষক আবদুল খালেক আবদুল্লা খোলাখুলি জানিয়েছেন, তাদের দেশের নিরাপত্তায় আমেরিকার আর কোনও প্রয়োজন নেই। তাঁর বক্তব্য, সাম্প্রতিক সংঘর্ষের সময় আমেরিকা প্রত্যাশিত সহায়তা দেয়নি। তাই দেশের মাটিতে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি বন্ধ করার দাবি উঠছে।
ঘটনার সূত্রপাত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে, যখন ইরানের উপর হামলা চালানো হয়। এরপর দ্রুত পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকে এবং তার প্রভাব পড়ে পার্শ্ববর্তী দেশগুলিতে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত ও বাহরিনের মতো দেশগুলিতে তেল ও গ্যাস সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই দেশগুলিতে আমেরিকার সামরিক উপস্থিতি থাকলেও তারা সেই ক্ষয়ক্ষতি আটকাতে পারেনি।
আবদুল্লা আরও বলেন, এই ঘটনা প্রমাণ করেছে যে নিজেদের সুরক্ষার জন্য অন্য দেশের উপর নির্ভর করা ঠিক নয়। বরং নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা দরকার। তিনি মনে করেন, বিদেশি সেনাঘাঁটি এখন উপকারের চেয়ে বেশি বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশের অভিযোগ, বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগে তাদের যথেষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি। ফলে তারা প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ পায়নি। হঠাৎ সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর ইরানের তরফে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়, যার ফলে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। বহু মানুষের প্রাণহানি ও আর্থিক ক্ষতির ঘটনাও সামনে এসেছে।


