তামিলনাড়ুর আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে বড় ঘোষণা করলেন অভিনেতা-রাজনীতিবিদ বিজয়। রবিবার চেন্নাইয়ে দলের বৈঠকে তিনি জানান, এই প্রথমবারের মতো নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চলেছেন তিনি। তাঁর দল তামিলগা ভেত্রি কড়গম (টিভিকে)-র পক্ষ থেকে তিনি পেরাম্বুর এবং তিরুচি পূর্ব—এই দুই কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হচ্ছেন।আগামী ২৩ এপ্রিল তামিলনাড়ুতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সেই নির্বাচনে টিভিকে-র পক্ষ থেকে একাধিক প্রার্থীর নামও ঘোষণা করা হয়েছে। দলের সাধারণ সম্পাদক এন আনন্দকে টি নগর কেন্দ্র থেকে লড়াই করতে নামানো হয়েছে। এছাড়া দলের কোষাধ্যক্ষ ভেঙ্কট রামানন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মাইলাপোর কেন্দ্র থেকে। দলের আরেক নেতা ভিএস বাবুকে কোলাথুর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে। সেখানে তাঁর প্রধান প্রতিপক্ষ হচ্ছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও ডিএমকে প্রধান এম.কে স্ট্যালিন। একইভাবে চেপক কেন্দ্র থেকে দলের প্রার্থী সেলভম লড়বেন উপমুখ্যমন্ত্রী উধায়ানিধি স্ট্যালিন-এর বিরুদ্ধে।পেরাম্বুর কেন্দ্রে বিজয়ের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছেন ডিএমকে প্রার্থী আরডি শেখর। আর তিরুচি পূর্ব কেন্দ্রে তাঁর মুখোমুখি হবেন ডিএমকে-র ইনিগো ইরুদয়ারাজ। ফলে শুরু থেকেই এই লড়াই রাজনৈতিকভাবে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজয় তাঁর দলের প্রতীক ‘হুইসেল’ বা বাঁশির কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “এই নির্বাচন এক ধরনের পরিবর্তনের ডাক। মানুষ যেন বাঁশির প্রতীকে ভোট দিয়ে নতুন পথ বেছে নেন।” তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করার জন্যই তাঁর দল প্রার্থী বেছে নিয়েছে।বিজয় আরও বলেন, তাঁর দলের প্রার্থীরা কোনও প্রভাবশালী বা বড় রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য নন। বরং সাধারণ পটভূমি থেকে উঠে আসা মানুষদেরই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, রাজনীতিতে সৎ ও পরিষ্কার ভাবমূর্তি থাকা জরুরি। দুর্নীতি, অবৈধ কাজ বা সংবাদমাধ্যমের ওপর হামলার মতো অভিযোগ যাঁদের বিরুদ্ধে রয়েছে, তাঁদের রাজনীতিতে থাকা উচিত নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন। ডিএমকে-র এক প্রার্থীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের প্রসঙ্গ টেনে তিনি পরোক্ষভাবে সমালোচনাও করেন। সব মিলিয়ে নির্বাচনের আগে বিজয়ের এই ঘোষণা তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
বিজেপি বিভাজন ও সাম্প্রদায়িকতার রাজনীতি করে!’ এবার ভোটের ময়দানে নামছেন বিজয়, পেরাম্বুর ও পূর্ব ত্রিচি থেকে লড়াইয়ের নতুন বার্তা
Popular Categories


