দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ভর্তির পোর্টাল গত বৃহস্পতিবার চালু হওয়ার পর থেকেই বিতর্কের মুখে পড়েছে। ‘মাতৃভাষা’ বিভাগে ‘মুসলিম’ শব্দটি তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, যা ধর্মীয় ভাবনাকে আঘাত করেছে বলে অনেকে মনে করছেন। এর পাশাপাশি উত্তর ভারতের বহু মানুষের কাছে প্রচলিত উর্দু ভাষাটিও ফর্ম থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
আশ্চর্যজনকভাবে ফর্মে ‘বিহারী’, ‘মজদুর’, ‘দেহাতি’, ‘চামার’-এর মতো শব্দগুলোও মাতৃভাষা হিসেবে জায়গা পেয়েছে। এসব শব্দের এমন ব্যবহারে অনেকেই ক্ষুব্ধ।
উর্দুকে বাদ দেওয়ায় মুসলিম সম্প্রদায়কে উচ্চ শিক্ষা থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে সমালোচকদের অভিযোগ। ডিটিএফ-এর সাধারণ সম্পাদক জানিয়েছেন, উর্দু একটি সাংবিধানিক ভাষা এবং ব্যাপকভাবে প্রচলিত। তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, “ডিইউ-এর এই ফর্ম আরও ইসলামোফোবিক হতে পারে না। একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় কীভাবে এমনটা করতে পারে? দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষমা চাওয়া উচিত।”
কিরোরি মল কলেজের অধ্যাপক রুদ্র আশিস চক্রবর্তীও এটিকে ‘সাম্প্রদায়িকতার কাজ’ বলে কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “এটি দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে আলাদা করে দেওয়ার চেষ্টা।” বিশ্ববিদ্যালয় এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি, তবে ওয়েবসাইটি সাময়িক বন্ধ করে ভুল সংশোধন করা হয়েছে।


