রক্ষক, ভক্ষকে রূপান্তরিত হলে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ করা ছাড়া আর কোন উপায় অবশিষ্ট থাকেনা। পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষরাই দাবি করছে, মনজিত মিশ্রের মত সমাজ বিরোধীদের প্রতিনিয়ত লালন পালন করে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আরজি কর কাণ্ডে প্রিন্সিপাল সন্দীপ ঘোষ, সিভিক ভলেন্টিয়ার সঞ্জয় রায় হোক কিংবা সাউথ ক্যালকাটা ল’ কলেজের মনোজিৎ মিশ্র, প্রত্যেক সমাজ বিরোধীদের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের শাসকের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যোগাযোগ লক্ষ্য করা যায়।
এবার তৃণমূল সরকারের মদতে বেড়ে ওঠা এমনই এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলছে সাধারণ মানুষ। রাজ্যের এক পরিচিত কলেজের শিক্ষক তিনি। অধ্যাপকদের সংগঠন ওয়েবকুপারের সদস্য এবং রাজ্যে শাসক দলের কট্টর সমর্থক রাজদীপ মাইতি।
অধ্যাপক রাজদীপ মাইতির বিরুদ্ধে উঠছে গুরুতর অভিযোগ। পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী রাজনৈতিক দল সিপিআইএম-এর নেত্রী, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় এবং ঐশী ঘোষের বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য এবং যৌনগন্ধী ভাষায় আক্রমণ করার অপরাধে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ।
কলকাতার বুকে আর জি করের নৃশংস গণধর্ষণের ক্ষত এখনো মানুষের মন থেকে পুরোপুরি মুছেনি। এরই মধ্যে আবারও সাউথ ক্যালকাটা ল’ কলেজে ঘটলো গণধর্ষণ। এমন পরিস্থিতিতে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মহলের একাংশ প্রশ্ন তুলছেন, আরজিকর বা সাউথ ক্যালকাটা ল’ কলেজের মত নৃশংস কোন ঘটনা না ঘটা পর্যন্ত এ রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন নিশ্চুপ থাকবে? রাজদীপের বিরুদ্ধে ওঠা কিছু অভিযোগ নিয়ে হাইকোর্ট পর্যন্ত উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
নিটিজেনরা সমাজ মাধ্যমে বারবার রাজদীপের কুরুচিকর মন্তব্য নিয়ে কিছু পোস্টে, কলকাতা পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি। প্রশ্ন উঠছে, কেন কলকাতা পুলিশের এমন নিষ্ক্রিয়তা? পুরুষতন্ত্রের রক্ত চক্ষুর সামনে পড়ে আবারও বাংলায় মহিলার ধর্ষণ না হওয়া পর্যন্ত কি চোখ বন্ধ করে থাকবে পুলিশ মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তার প্রশাসন?


