উড়িষ্যা, দিল্লি, রাজস্থান, কিংবা মহারাষ্ট্র ভিন রাজ্যে পাড়ি দেওয়া বাংলার অসহায় দরিদ্র মুসলমান পরিযায়ী শ্রমিকরা প্রতিনিয়ত রাষ্ট্রের রক্ত চক্ষুর শিকার হচ্ছেন। পরিযায়ী শ্রমিক ও তাদের পরিবারদের মূল অভিযোগ ভিন রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে চূড়ান্ত অপমান ও হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে। অভিযোগ উঠছে, পরিচয় পত্র যেমন, ভোটার কার্ড, আধার কার্ড দেখানো সত্বেও রেহাই মিলছে না বিজেপি সরকারের কাছ থেকে। সংখ্যালঘু পরিযায়ী শ্রমিকদের বাংলাদেশি সন্দেহে আটক করে রাখা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, বেশ কিছু রাজ্যে বাংলায় কথা বললে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশী বলে।
বছর পেরোলেই ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যে, প্রস্তুতি শুরু করেছে শাসক, বিরোধী সহ সকল রাজনৈতিক দলগুলি। এমন আবহে, ১৮ ই জুলাই রাজ্যে আসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা, শমিক ভট্টাচার্যকে সদ্য বিজেপির রাজ্য সভাপতি পদে নিয়োগ করা হয়েছে। ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির এই নতুন পদক্ষেপ কতটা ফলপ্রসূ হবে তা এখন সময়ের অপেক্ষা। তবে ইতিমধ্যে রাজ্য বিজেপিকে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমার বাইরে বেরোতে দেখা যাচ্ছে। মুসলমানদের বন্ধু বানানোর উদ্দেশ্যে রাজ্য বিজেপির গলায় শোনা যাচ্ছে নিরপেক্ষতার সুর। অথচ কথার সঙ্গে মিল নেই কোন কর্মকাণ্ডের। পশ্চিমবঙ্গে মালদা, মুর্শিদাবাদ সহ বেশ কিছু জেলায় প্রতিনিয়ত হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে খেটে খাওয়া, মেহনতি, মুসলমান পরিযায়ী শ্রমিকদের।


