ভারতের যে রাজ্যেগুলিতে ডবল ইঞ্জিন সরকার অর্থাৎ ভারতীয় জনতা পার্টি পরিচালিত সরকার চলছে, সেখানে বর্তমানে সংখ্যালঘুদের টেকা দায় হয়ে পড়েছে। হেমন্তবিশ্ব শর্মা শাসিত আসাম, বিজেপি সরকার সংখ্যালঘুদের উপর অমানবিক ও পাশবিক অত্যাচার চালাচ্ছে। থামছে না নিপীড়ন! ভিন রাজ্যে ক্রমাগত নিপীড়িত হচ্ছে বাংলায় বসবাসকারী পরিযায়ী শ্রমিকরা। আর কতদিন ভারতে বসবাসকারী সংখ্যালঘু সাধারণ মানুষকে এমন অমানবিক লাঞ্ছনার শিকার হতে হবে? এ নিয়ে সমাজের নানান মহলে উঠছে প্রশ্ন।
ভারতীয় হওয়ার প্রামাণ্য নথিপত্র থাকা সত্ত্বেও, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে, মুসলিমদের কোনরকম বাছবিচার না করে বাংলাদেশী তকমা দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এই নিপীড়ন থেকে বাদ পড়ছে না মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষরা।
বিজেপি শাসিত আসামের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা, রাজ্য থেকে মুসলমানদের নিধন করার জন্য সব ধরনের প্রচেষ্টায় করেছেন। আসামে ইতিমধ্যে বুলডোজারযেন হেমন্ত বিশ্ব শর্মা পরিচালিত ডবল ইঞ্জিন সরকারের আমলের রাজ্যে বর্তমান গণতন্ত্রের নিদর্শন হয়ে গেছে। বুলডোজার দিয়ে আসামে বসবাসকারী মুসলমানদের ঘর-বাড়ি, মসজিদ-মাজার, দোকান-পাঠ, বেসরকারি স্কুল উচ্ছেদ করা হয়েছে, প্রত্যেকটি ঘটনাতেই অভিযোগের আঙুল উঠেছে সরকারের বিরুদ্ধে। বর্তমানে মুসলমান নিধনের এক অভিনব পন্থা অবলম্বন করেছে আসাম সরকার। আধার ভোটার কার্ড দেখানো সত্বেও, বাংলাদেশী তকমা দেওয়া হচ্ছে, বাংলায় বসবাসকারী মুসলমান শ্রমিকদের উপর।
আসামে সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ সংগঠিত হয়েছে। এই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ভূমিকা নিয়েছে ছাত্র সংগঠন ‘আমসু’। সাম্প্রতিক কালে আমসু ছাত্র প্রসংগঠনের প্রেসিডেন্ট, রেজাউল করিম সরকার এই ব্যবস্থার জন্য, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে একটি করুন আবেদন জানান। আদেও কি এই দুর্ভোগ থেকে নিস্তার পাবে আসামে বসবাসকারী মুসলমান ভাই-বোনেরা? প্রশ্ন নানান মহলে।


