২০২৫ সালের ২ অক্টোবর আরএসএসের শতবর্ষ সূচনার আগে সংগঠনটি দেশজুড়ে নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো তিন পর্বের বক্তৃতামালা, যা প্রথম অনুষ্ঠিত হবে দিল্লির বিজ্ঞান
ভবনে ২৬-২৮ আগস্ট। এরপর মুম্বই, বেঙ্গালুরু ও কলকাতায়ও একই আয়োজন করা হবে। তৃতীয় বক্তৃতায় প্রশ্নোত্তর পর্বও থাকবে এবং আরএসএস ঘনিষ্ঠ নন এমন ১২ শ্রেণির মানুষকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে—যার মধ্যে বিদেশি দূতাবাসের কূটনীতিক, বুদ্ধিজীবী ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারাও রয়েছেন। তবে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও তুরস্কের প্রতিনিধিদের বাদ দেওয়া হয়েছে।

২০১৮ সালে মোহন ভাগবতের অনুরূপ বক্তৃতামালা অনেককে ভাবতে বাধ্য করেছিল যে আরএসএস পরিবর্তনের পথে। ভাগবত বলেছিলেন, মুসলমানদের ভারত থেকে তাড়ানোর মানসিকতা হিন্দুত্ববিরোধী এবং গোরক্ষার নামে হত্যাও হিন্দুত্ব নয়। কিন্তু বাস্তবে মুসলিম বিদ্বেষী ঘটনা ও হিংসা বেড়েই চলেছে। সিএএ-এনপিআর, শাহিনবাগ আন্দোলন দমন, দিল্লি দাঙ্গা থেকে শুরু করে খ্রিস্টান ও মানবাধিকারকর্মীদের ওপর আক্রমণ—সবই অব্যাহত।
তাই প্রশ্ন উঠছে, নতুন বক্তৃতাগুলো কি সত্যিই পরিবর্তনের বার্তা দেবে, নাকি কেবল সমালোচকদের তুষ্ট করার আড়াল? রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ ভবিষ্যতের সম্ভাব্য রাজনৈতিক কৌশলেরও অংশ হতে পারে।


