সাংগঠনিক রদবদলের পর মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে ফের প্রকাশ্যে এল তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। মঙ্গলবার গভীর রাতে পরপর দুটি হামলার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। অভিযোগ, তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যা মন্দিরা দাসের বাড়িতে এক দল দুষ্কৃতী হামলা চালায়। মন্দিরা দাসে স্বামী প্রাক্তন যুব সভাপতি পূজন দাসকে খুনের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। এমনকি বাড়ির দরজা ভাঙার চেষ্টা এবং বাইরে রাখা গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে। একই রাতে হামলা হয় ব্লক তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি সাহেব দাসের রেস্তোরাঁতেও।
এই হামলার জন্য অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি সঞ্জীব গুপ্তা, দুর্জয় দাস এবং তাদের ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। আক্রান্তদের দাবি, এই হামলা হয়েছে তৃণমূল নেতা জম্মু রহমানের নির্দেশে।
এর প্রতিবাদে বুধবার সকালে পূজন ও সাহেব দাসের সমর্থকেরা ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা এই বিক্ষোভ পুলিশের আশ্বাসে তুলে নেওয়া হয়।
তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অঞ্চল সভাপতি সঞ্জীব গুপ্তা। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে। এটা দলকে বদনাম করার চেষ্টা। নবনিযুক্ত ব্লক ও যুব সভাপতি দলনেত্রীর নির্দেশেই নির্বাচিত হয়েছেন।”


