বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠস্বর আজও যেন বাঙালির শরীরে কাঁপন তোলে – মহালয়ার ভোর মানেই তার কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী। ১৯০৫ সালের ৪ ঠা আগস্ট কলকাতার আহিরীটোলায় জন্ম বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের। ঠাকুমা যোগমায়া দেবীর কাছে তার সংস্কৃত শিক্ষা তার স্মৃতিশক্তি এতটাই প্রখর ছিল যে মাত্র ৮বছর বয়সেই চণ্ডীপাঠ করে সকলকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। মাতৃপক্ষ শুরু হতেমাত্র ৫ দিন বাকি। মহালয়ার দিন সকালে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের উদাত্ত কণ্ঠে বেজে উঠবে মা দুর্গার স্তুতিগান। অনেকেই বলেন- “ রেডিওতে মহালয়া শুনবো। ” কথাটি আপাতদৃষ্টিতে ঠিক মনে হলেও কিছুটা ত্রুটি রয়েছে। সারা বছর পিতৃপক্ষের শেষে ১৫ দিনের মাতৃপক্ষের শুভারম্ভের মাহেন্দ্রক্ষণ হল “মহালয়া”। অপরদিকে “মহিষাসুরমর্দিনী” হল দেবী দুর্গার স্তুতিগানের শ্রুতিলেখ্য যা ১৯৩১ সাল থেকে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কন্ঠে পরিচিতি পায়। মহালয়ার ভোরের মাহেন্দ্রক্ষণে বাঙালির প্রাণে চিরকালীন স্থান করে নিয়েছে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের মহিষাসুরমর্দিনী।
Popular Categories


