পাকিস্তানের ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এফআইএ) সম্প্রতি একটি মানব পাচারকারী চক্রের সন্ধান পেয়েছে, যারা পেশাদার ফুটবলার সেজে জাপানে অবৈধ ভাবে ঢোকার চেষ্টা করছিল। এই ঘটনায় ২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যারা নিজেদের ফুটবল খেলোয়াড় হিসেবে পরিচয় দিয়েছিল। জানা গেছে, ওই যুবকেরা পুরো ফুটবল কিটসহ নিজেদের পাকিস্তান ফুটবল ফেডারেশনের (পিএফএফ) সদস্য দাবি করে এবং ভুয়া অনাপত্তিপত্র (এনওসি) নিয়ে জাপানে পৌঁছায়। এনওসিগুলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নামে জালিয়াতি করে তৈরি করা হয়েছিল বলে জানা যায়। তবে জাপানের ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তাদের জিজ্ঞাসাবাদে সন্দেহজনক তথ্য পেয়ে পুরো ঘটনাটিকে সামনে আনে।
এফআইএর তদন্তে উঠে এসেছে, এই চক্রের মুখ্য মুখ ওয়াকাস, যিনি পাকিস্তান অধ্যুষিত পাঞ্জাবের সিয়ালকোট জেলার পাসরুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি ‘গোল্ডেন ফুটবল ট্রায়াল’ নামে একটি ভুয়া ক্লাব তৈরি করে এবং প্রতিজন যুবকের কাছ থেকে ৪০ থেকে ৪৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আদায় করে। পাশাপাশি তাদের জাপানে পাঠানোর সব ভুয়া কাগজপত্রও তিনি তৈরি করিয়ে দেন। ১৫ সেপ্টেম্বর এফআইএর গুজরানওয়ালার কম্পোজিট সার্কেল তাকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রুজু হয়েছে। এফআইএ আরও জানিয়েছে, এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে ওয়াকাস এর আগেও জড়িত ছিল। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতেও তিনি একই কৌশলে ১৭ জন যুবককে জাপানে পাঠান।


