উত্তরপ্রদেশের কুষিনগর জেলায় সম্প্রতি একের পর এক যা ঘটছে, তাতে আতঙ্কিত এলাকাবাসী। তারই ধারাবাহিকতায় কুবের ভুয়াল পট্টি গ্রামে এক ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটে। পার্কিং নিয়ে বিবাদের জেরে এক মুসলিম যুবককে দড়ি দিয়ে বেঁধে পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
বিষ্ণুপুরা পুলিশ স্টেশনের অধীন এই গ্রামে বাস করেন আজহারুদ্দিন। সূত্র মারফত, রিতেশ নামক এক ব্যক্তি আজহারুদ্দিনের রাস্তা থেকে ভ্যান সরাতে বলে এবং এই নিয়ে কথা কাটাকাটি বাধে।
এরপরই ঘটনা ভয়ঙ্কর রূপ নেয়। রিতেশের আত্মীয় ও বন্ধুরা আজহারুদ্দিনকে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলে। তাকে দড়ি দিয়ে শক্ত করে বেঁধে ফেলে এবং নির্মমভাবে মারধর করতে থাকে আহত। এই হামলার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় এলাকাবাসীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা এই হামলাকে ভয়ানক বলে বর্ণনা করেছেন। তাদের দাবি, আজহারুদ্দিনকে পশুর মতো বেঁধে পিটানো হয়েছে। পুলিশের বক্তব্য, দু’পক্ষ ভিন্ন সম্প্রদায়ের হওয়ায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল।
বিষ্ণুপুরা পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে। এক পুলিশ আধিকারিক রাজীব সিং নিশ্চিত করেছেন, “তদন্ত চলছে, অপরাধীদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মুসলিম সংগঠনগুলি আজহারুদ্দিন ও তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে। জমিয়ত উলামায়ে হিন্দ দাবি করে, “পুলিশের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। আইনের সামনে সমতা থাকতে হবে, নয়তো এই ধরনের সন্ত্রাস বেড়েই চলবে।


