গত কয়েক দিনে ইউরোপের ফুটবলমঞ্চে ফিলিস্তিনের সমর্থন করে অনেক ক্লাব। সম্প্রতি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে লিভারপুলকে হারিয়ে তুরস্কের গালাতাসারাই শিরোনামে আসে। ম্যাচ শুরুর আগে সমর্থকেরা স্টেডিয়ামে একটি ব্যানার উন্মোচন করে, যাতে লেখা ছিল, “ফিলিস্তিনকে মুক্ত করুন এবং খামায় শিশুদের বাঁচতে দিন।”
ইউরোপের অনেক দেশ তুরস্কের এই মানবিক উদ্যোগকে অনুসরণ করছে। স্পেন, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড ও অন্যান্য দেশগুলোও ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিচ্ছে। গাজার শিশুদের বেঁচে থাকার পক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষরাও আওয়াজ তুলছে। ইউরোপীয় ফুটবল ফেডারেশনগুলো ইতোমধ্যেই ফিফা ও উয়েফার কাছে ইসরাইলকে নিষিদ্ধ করার আবেদন করেছে। স্টেডিয়ামে ফিলিস্তিনের পতাকা এবং মানবিক বার্তা দিয়ে অসহায় ফিলিস্তিনিদের পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে। যদিও ফিফা ও উয়েফা এখনও নিরব, তবু ইউরোপীয় দর্শকরা প্রতিদিন গাজার গণহত্যার প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।
সম্প্রতি লা লিগার মায়োর্কার বিপক্ষে ম্যাচে স্প্যানিশ ক্লাব অ্যাথলেটিক বিলবাও মানবিক পদক্ষেপ নিয়েছে। তারা ফিলিস্তিনের মহিলা দলের সদস্য এবং ১১ জন শরণার্থীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। ম্যাচ শুরুর আগে স্টেডিয়ামে একটি বড় ব্যানারে লেখা হয়েছিল, “গণহত্যা বন্ধ কর।” ক্লাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আমাদের লক্ষ্য ফিলিস্তিনের জনগণের পাশে দাঁড়ানো। মানবিকতার জন্য আমাদের এই পদক্ষেপ।”


