তালিবানি শাসককে কি খানিক ভয় পেলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ? নাকি বিজেপির ইস্তাহারের বিরোধিতা করছে খোদ কেন্দ্র সরকার নিজেই? আজ থেকে প্রায় চার বছর আগে সংসদে দাঁড়িয়ে আফগানিস্তানে তালিবান সরকারের তীব্র বিরোধিতা করে যোগী আদিত্যনাথ। ভারতে বসবাসকারী মুসলমানদের উদ্দেশ্য করে তাকে টিটকিরি করতে শোনা যায়, “আপনারা (ভারতীয় মুসলমানরা) তালিবানের স্বৈরাচারকে সমর্থন করছেন। এদের সকলকে প্রকাশ্যে নিয়ে আসতে হবে।” যোগীর এমন মন্তব্য অত্যন্ত অবমাননাকর, এবং ভারতীয় মুসলমানদের দেশপ্রেমের উপর অযাচিত প্রশ্ন তোলা বলে মনে করেছিল ধর্মনিরপেক্ষ সুশীল সমাজ, দল এবং বিরোধীরা। ২০২১ সালের আগস্ট মাসে আফগানিস্তানে ক্ষমতায় আসে তালিবান সরকার। ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম ভারত সফরে পাড়ি দেন আফগানিস্তানের বিদেশ মন্ত্রী আমিরখান মুক্কাকী। বিশ্বের দেশগুলির মধ্যে একমাত্র রাশিয়া তালিবানকে সরাসরি স্বীকৃতি দিয়েছে এবং সেক্ষেত্রে মস্কোর দূতাবাসে পুরনো সরকারের পতাকা নামিয়ে তালিবানের পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এবার আফগানিস্তানে তালিবানের শাসনকে স্বীকৃতি দিল ভারত। তালিবান ক্ষমতায় আসার ৪ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার মাথায়, ফের তালিবান সরকারের দূতাবাস খুলবে ভারতে। কেন্দ্রের এমন সিদ্ধান্তে প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা যে, এখন কেন চুপ রয়েছেন উত্তরপ্রদেশের সনাতন ধর্মের রক্ষক, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ? তালিবান সরকারের প্রতি ভারত সরকারের এমন পদক্ষেপ দেখে অনেকেই কটাক্ষ করছেন, কে প্রকৃত তালিবানপন্থী তা ভারতের বিদেশ নীতি দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।
Popular Categories


