সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক সাম্প্রতিক ঘটনার তালিকা প্রকাশ করে উগ্র হিন্দুত্ববাদী দাঙ্গা উস্কে দেওয়ার চেষ্টার বিরুদ্ধে সরব হলেন সিপিএম যুবনেতা সৃজন ভট্টাচার্য্য। তাঁর পোস্টে উল্লেখ করা হয়, মুর্শিদাবাদের কাশেমবাজারে কালীমূর্তি ভাঙার অভিযোগে আর.এস.এস ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলের গ্রেফতার, বেলডাঙায় কুরুচিপূর্ণ আলোকসজ্জা বানিয়ে উত্তেজনা তৈরির ঘটনায় বাজারং দলের সদস্য সায়ন হালদারের জড়িত থাকা, চাপড়ায় সরস্বতী ঠাকুর ভাঙার ঘটনায় বিজেপি কর্মী প্রসেনজিৎ ঘোষের গ্রেফতার এবং কাকদ্বীপে মূর্তি ভেঙে দাঙ্গার পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টায় নারায়ণ হালদারের নাম।
এই ঘটনাগুলির সমন্বিত চিত্র তুলে ধরে সৃজন দাবি করেন, এগুলি নিছক বিচ্ছিন্ন নয়, বরং সমাজে বিভাজন ও ঘৃণা ছড়ানোর এক পরিকল্পিত প্রচেষ্টা। তাঁর পোস্ট প্রকাশের পরই বিজেপি-ঘনিষ্ঠ ট্রোলবাহিনী সোশ্যাল মিডিয়ায় সৃজনের বিরুদ্ধে কটাক্ষ ও কদর্য ভাষায় আক্রমণ শুরু করে।
সৃজনের বক্তব্য, “ধর্মের নামে মানুষকে মানুষ থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। কিন্তু আমরা শান্তি, সম্প্রীতি ও যুক্তির রাজনীতি ছড়াতে থাকব।”
রাজনৈতিক মহলে এই পোস্টকে ঘিরে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে। বাম নেতৃত্বের দাবি, সৃজন যা প্রকাশ করেছেন, তা রাজ্যের বাস্তব পরিস্থিতিরই প্রতিফলন।


