নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে রাজ্যে ৪ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া এসআইআর প্রক্রিয়ায় মালদার সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কয়েকশো পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বহু পরিবারের মানুষ জানিয়েছেন, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাদের নাম নেই। সেই ভয়ে তারা নাগরিকত্ব হারানোর ভয়ে আতঙ্কে আছেন।জানা গিয়েছে, কয়েকজনের নিজের ভোটার তালিকায় না থাকলেও তাদের সন্তানদের নাম সেই তালিকায় উঠেছে।
সাহাপুর পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা সমরেশ মজুমদারের জানান, তার নিজের নাম এখনও ভোটার তালিকায় নেই। পঞ্চায়েত, বিধানসভা কিংবা লোকসভা কোথাও তিনি ভোট দিতে পারেননি। তিনি বলেন, বহু বার নাম লেখার জন্য সরকারি দফতরে আবেদন করেছেন এবং আবেদন রিসিভ কপিও আছে, কিন্তু প্রশাসনের গাফিলতির কারণে নাম ওঠেনি। এখন তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করবেন যাতে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তার নাম নিশ্চিত করা হয়।
অন্যদিকে আর এক স্থানীয় বাসিন্দা দিলীপ ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, ২০০২ সালের তালিকায় তার নাম না থাকলেও পরবর্তী ২০০৫ সালের তালিকায় নাম রয়েছে। তাই তিনি বলছেন, কমিশন যে নথিগুলো চেয়েছে তা তার কাছে আছে এবং তিনি বিশেষ ক্যাম্পের মাধ্যমে নাম ওঠার আবেদন করবেন। দিলীপ সিংহেরও ২০২৫ সালের তালিকায় নাম রয়েছে, কিন্তু ২০০২ তে নাম না থাকায় তিনি চিন্তিত। মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, এসআইআর-এর বিরুদ্ধে নয় তারা, তবু বৈধ ভোটারদের নাম কাটা হলে কঠোর আন্দোলন হবে। অন্যদিকে উত্তর মালদার বিজেপি নেতা তাপস গুপ্ত দাবি করেছেন, যারা ২০০২-এ নাম পাননি তাদের তাড়াতাড়ি নাম নিশ্চিত করতে হবে এবং তিনি বিশেষ কর্মসূচি চালানোর কথা বলছেন।


