আসামের কাছাড় জেলায় সমাজ মাধ্যমে বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত স্কুল প্রিন্সিপাল নাজরুল ইসলাম বারভূইয়াকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার এই ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গিয়েছে। ‘নির্বাচন আসছে’ বলে দিল্লির লালকেল্লায় হওয়া বিস্ফোরণ নিয়ে একটি পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেছিলেন বলে জানা যায়। ওই বিস্ফোরণে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। পুলিশের দাবি, তার এই মন্তব্যে ঘটনাটিকে রাজনৈতিক রঙ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
কাছাড় জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) রাজত কুমার পাল জানান, “জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে এমন সংবেদনশীল ঘটনায় রাজনৈতিক মন্তব্য সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে এবং সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বাড়াতে পারে।” পুলিশের সোশ্যাল মিডিয়া মনিটরিং সেলের নজরে আসার পরই নাজরুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়। এই পদক্ষেপটি আসে আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সাম্প্রতিক ঘোষণা অনুসারে। এপ্রিল মাসে জম্মু ও কাশ্মীরের পাহালগাম হামলার পর থেকে রাজ্যে সোশ্যাল মিডিয়া পর্যবেক্ষণ জোরদার করা হয়েছে।
দিল্লি বিস্ফোরণ ঘটনার পর এখন পর্যন্ত পাঁচজন মুসলিম যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে—মতিউর রহমান (দররাং), হাসান আলি মণ্ডল (গোলপাড়া), আব্দুল লতিফ (চিরাং), ওয়াজহুল কামাল (কমরূপ) এবং নূর আমিন আহমেদ (বঙাইগাঁও)।
স্থানীয়রা দাবি করেছেন, এই অভিযান মূলত মুসলিম তরুণদের নিশানা করছে। এর ফলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সীমিত হচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।


