জমিয়ত উলেমা-ই-হিন্দের সভাপতি মেহমুদ মাদানি দাবি করেছেন, দেশে সংখ্যালঘুরা আজও ন্যায্য অধিকার পাচ্ছেন না। তাঁর মতে, সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা করা সরকারের মূল দায়িত্ব। তিনি অভিযোগ করেন, বাবরি মসজিদ মামলা থেকে তিন তালাক, এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর রায় দেখলে মনে হয় বিচার বিভাগের উপর সরকারি চাপ রয়েছে।
মাদানি বলেন, সংবিধান যেমনভাবে সংখ্যালঘুদের অধিকার দিয়েছে, সেই নীতির সঙ্গে এখনকার কিছু পদক্ষেপ মিলছে না। পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমে জিহাদ শব্দটিকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে বলেও তাঁর অভিযোগ। তিনি জানান, ধর্মীয় গ্রন্থ অনুযায়ী জিহাদ মানে মানুষের কল্যাণের জন্য সংগ্রাম, কিন্তু লাভ জিহাদ বা ল্যান্ড জিহাদ-এর মতো শব্দ ব্যবহার করে সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে এই ধারণাকে বিকৃত করছে। তাঁর কথা, “জিহাদ পবিত্র ছিল, এখনও পবিত্র। কোথাও অন্যায় হলে সংগ্রাম হবেই।” তবে তিনি স্পষ্ট করেন যে ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামো হিংসাকে সমর্থন করে না এবং দেশের মুসলমানরা সংবিধানের প্রতিই অনুগত।এছাড়া ১৯৯১ সালের উপাসনালয় আইন থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন মামলা চলার বিষয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। তাঁর দাবি, “সব কোর্ট সর্বোচ্চ নয়। সুপ্রিম কোর্ট যদি সংবিধান রক্ষা করতে না পারে, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ বলা যায় না।”


