মদিনা শহরের মসজিদে নববীর দক্ষিণ দিকে অবস্থিত আস সাফিয়া মিউজিয়াম অ্যান্ড পার্কে নতুন একটি জাদুঘর চালু করা হয়েছে। এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘খায়ের আল-খালক’। এটি ইসলামের ইতিহাস ও নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনকে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে উপস্থাপন করে।
মদিনার গভর্নর প্রিন্স সালমান বিন সুলতান আনুষ্ঠানিকভাবে এই জাদুঘরের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর তিনি বিভিন্ন প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন এবং সেখানে ব্যবহৃত উন্নত প্রযুক্তির প্রশংসা করেন। প্রদর্শনীতে অডিও-ভিজ্যুয়াল ব্যবস্থার মাধ্যমে মহানবীর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে, যা দর্শনার্থীদের সহজে বুঝতে সাহায্য করে।
এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে সমায়া ইনভেস্টমেন্ট। কোম্পানির প্রধান নির্বাহী ফাওয়াজ আলমেহরিজ জানান, এটি দর্শনার্থীদের ইতিহাস নতুনভাবে জানার সুযোগ দেবে এবং ইসলামের মূল্যবোধ সম্পর্কে ধারণা বাড়াবে।
এর আগে ‘আলা খুতাহ’ নামে আরেকটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, যেখানে হিজরতের পথ অনুসরণ করে তীর্থযাত্রীদের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করা হয়। নতুন জাদুঘরটি সেই ধারাবাহিকতার অংশ।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে ধর্মীয় পর্যটনকে আরও উন্নত করার চেষ্টা চলছে। এটি জ্ঞান, বিশ্বাস ও প্রযুক্তিকে একত্র করে দর্শনার্থীদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা তৈরি করছে। একই সঙ্গে ইসলামের শান্তি, সহনশীলতা ও মানবতার বার্তা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বলছে, এই ধরনের উদ্যোগ মদিনাকে আন্তর্জাতিক ধর্মীয় পর্যটনের কেন্দ্র হিসেবে আরও পরিচিত করবে। দর্শনার্থীরা এখানে এসে ইতিহাসের সঙ্গে প্রযুক্তির মেলবন্ধন অনুভব করতে পারবেন। ভবিষ্যতে আরও নতুন প্রদর্শনী যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এটি স্থানীয় অর্থনীতি ও শিক্ষা খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে বলা হচ্ছে।


