ইসরাইলের সামরিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। দোহা ফোরাম ২০২৫-এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমদ আল-শারারা বলেন, ১৯৭৪ সালের বিচ্ছিন্নতা চুক্তির কোনও পরিবর্তন যদি ঘটায় তাহলে বিপদ ডেকে আনবে ইসরায়েল। তার দাবি, ইসরাইল যেভাবে বিকল্প ব্যবস্থা বা বাফার জোনের মতো প্রস্তাব তুলে ধরছে, তা বাস্তবায়িত হলে স্থিতিশীলতা ভেঙে পড়বে।
শারারার অভিযোগ, গাজায় চলমান হামলার জন্য আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে ইসরাইল এখন নিজের দায় অন্য দেশের উপর চাপিয়ে দিতে চাইছে। তিনি বলেন, ইসরাইল সবসময় নিরাপত্তার নাম করে আক্রমণ ন্যায্যতা দেওয়ার চেষ্টা করে, অথচ সিরিয়া মুক্ত হওয়ার পর থেকেই শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ইতিবাচক বার্তা পাঠিয়েছে।
গোলান সীমান্তে অস্ত্রবিরতির যে চুক্তি ১৯৭৪ সালে হয়েছিল, তা পুরোপুরি মানা ছাড়া কোনও উপায় নেই বলে মনে করেন শারারা। বাফার জোন বিষয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন—“সিরিয়ার সেনা না থাকলে এই অঞ্চল রক্ষা করবে কে?” তার মতে, যে দেশ সবচেয়ে বেশি হামলার শিকার, সেই দেশই নিরাপত্তা ও প্রত্যাহারের দাবি তোলার অধিকার রাখে। শারারা জানান, ইসরাইলের সঙ্গে মার্কিন মধ্যস্থতায় আলোচনাও চলছে এবং বহু দেশ সিরিয়ার অবস্থানকে সমর্থন করছে ইসরাইলকে ৮ ডিসেম্বর ২০২৪ এর আগের সীমান্তরেখায় ফিরতে হবে।


