বেরেলিতে ২৬ সেপ্টেম্বর “আই লাভ মুহাম্মদ” প্রতিবাদের পর মুসলিম বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযানের পাশাপাশি তাদের বাড়ি-ঘর ভাঙার অভিযোগ উঠে। এই পরিস্থিতিতেই অভিযোগকারীদের ঘরবাড়ি তিন মাসের জন্য ভাঙা যাবে না, এমনই নির্দেশ দিয়েছে আলাহাবাদ হাই কোর্ট। বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে যাদের বাড়ি ভাঙার নোটিস দেওয়া হয়েছিল, সেই আবেদনকারীদের মামলা শুনেই আদালত এই অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিয়েছে।
বিচারপতি অজিত কুমার ও বিচারপতি সত্যবীর সিংয়ের ডিভিশন বেঞ্চে মোহাম্মদ শহীদসহ আটজনের দায়ের করা রিট পিটিশনের শুনানিতে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রতিবাদের পরপরই শহরে একের পর এক বাড়ি ভাঙার অভিযান শুরু করে প্রশাসন। আবেদনকারীদেরআইনজীবী বলেন, বহু বছর ধরে পৌরসভা এই সব বাড়ির কর নিয়ে এসেছে, যা বাড়িগুলিকে কার্যত বৈধতার স্বীকৃতি দেয়। তাই আকস্মিক ভাঙার নোটিসকে তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের মতো মনে করেন।
রাজ্য ও স্থানীয় প্রশাসন যুক্তি দেয় যে আবেদনকারীরা ইতিমধ্যেই নোটিসের জবাব দিয়েছেন, তাই নিয়মমাফিক শুনানির মাধ্যমেই বিষয়টি নিষ্পত্তি করা যেতে পারে। আদালত জানায়, আবেদনকারীরা চার সপ্তাহের মধ্যে পৃথকভাবে নোটিসের জবাব দেবেন। সেই জবাব পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দুই মাসের মধ্যে শুনানি করে সিদ্ধান্ত নেবে। ততদিন কোনও ভাবে ঘর ভাঙা বা বলপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না।
আদালতের এই নির্দেশে বাসিন্দারা কিছুটা স্বস্তি পেলেও তাদের মামলার নিষ্পত্তিই ঠিক করবে ভবিষ্যৎ। এর আগেও বেরেলি পুরসভা ২৭টি বাড়ি অবৈধ নির্মাণ বলে নোটিস দিয়েছিল। একই দিনে সুপ্রিম কোর্টও একটি বিবাহ অনুষ্ঠান ভবনের ভাঙন বন্ধে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দেয়।


