চিকিৎসার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে গত ১২ বছর ধরে এক অনন্য উদ্যোগে যুক্ত এক চিকিৎসক। নিজের পেশাগত ব্যস্ততার মধ্যেও তিনি নিয়মিত সময় বের করে বিভিন্ন মসজিদে গিয়ে শিশু ও কিশোরদের কুরআন শিক্ষা দিয়ে চলেছেন। কোনও পারিশ্রমিক নয়, কোনও প্রচারের আলো নয়—নীরবে এই কাজটাই করে যাচ্ছেন তিনি।
জানা গিয়েছে, প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় আগে এলাকার কয়েকজন শিশুকে কুরআন পড়াতে শুরু করেছিলেন ওই চিকিৎসক। ধীরে ধীরে সেই উদ্যোগই বড় আকার নেয়। বর্তমানে একাধিক মসজিদে নিয়মিত ক্লাস নেন তিনি। চিকিৎসালয়ের কাজ শেষ করে সন্ধ্যা বা ছুটির দিনে সময় দেন এই শিক্ষাদানে।
তাঁর কথায়, ধর্মীয় শিক্ষা মানুষের চরিত্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। শিশু বয়স থেকেই যদি কুরআনের শিক্ষা দেওয়া যায়, তাহলে তারা ভবিষ্যতে আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল মানুষ হয়ে উঠবে। সেই ভাবনা থেকেই এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, এই চিকিৎসকের উদ্যোগ শুধু শিক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এতে সামাজিক বন্ধনও আরও দৃঢ় হচ্ছে। অনেক পরিবারই এখন আগ্রহের সঙ্গে তাঁদের সন্তানদের এই ক্লাসে পাঠাচ্ছেন।
চিকিৎসক নিজে বলছেন, “এটা কোনও কৃতিত্বের বিষয় নয়। সমাজের জন্য যদি সামান্য কিছু করা যায়, সেটাই আমার প্রাপ্তি।” তাঁর এই নিরলস প্রচেষ্টা ইতিমধ্যেই এলাকায় অনুপ্রেরণার উদাহরণ হয়ে উঠেছে।


